News update
  • Trump claims Iran won’t close Hormuz strait again     |     
  • Trump says Israel ‘prohibited’ from bombing Lebanon     |     
  • Iran, US say Strait of Hormuz is fully open to commercial vessels     |     
  • WHO, UNICEF Urge Bangladesh to Keep E-Cigarette Ban     |     
  • Nearly 900 Rohingya Dead or Missing in Sea Crossings     |     

হরমুজ প্রণালিতে টোল বেঁধে দিলো ইরান, লাগবে চীনা মুদ্রা

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক বানিজ্য 2026-04-10, 1:18am

rtertwerwer4-71751e04945b44d75cacbe2441bf8e181775762282.jpg




টানা ৩৮ দিনের সংঘাত শেষে ১৫ দিনের সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। এই ১৫ দিনের জন্য হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের ওপর টোল নির্ধারণ করে দিয়েছে তেহরান।   

গুরুত্বপূর্ণ এ বাণিজ্যপথে যেসব জাহাজ পার হবে তাদেরকে আগে থেকেই এ টোল পরিশোধ করতে বলেছে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড। আর এই টোল ক্রিপ্টো কারেন্সি বা চীনের মুদ্রা ইউয়ানে দিতে হবে বলেও জানিয়েছে তারা।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল। 

প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির চুক্তি চলা পর্যন্ত এভাবে টোল আদায় হবে।

অপরদিকে প্রতি ব্যারেল তেলের জন্য জাহাজগুলোকে ১ ডলার করে টোল পরিশোধ করতে হবে বলে মার্কিন আরেক সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে জানিয়েছেন ইরানের এক বাণিজ্য প্রতিনিধি। আর যেসব জাহাজে কোনো পণ্য থাকবে না, সেগুলোকে কোনো ফি দিতে হবে না।

প্রতি ব্যারেল তেল থেকে ১ ডলার নেওয়ার অর্থ হলো সুপার ট্যাংকার বা অনেক বিশাল জাহাজগুলোকে হরমুজ পার হতে টোল বাবদ খরচ করতে হবে কয়েক মিলিয়ন ডলার।

ইরানের দাবি অনুযায়ী, এখন থেকে হরমুজ প্রণালি পার হতে ইমেইলের মাধ্যমে জাহাজ কোম্পানিকে আগাম নোটিশ দিতে হবে এবং জাহাজ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানাতে হবে। ইরানি কর্তৃপক্ষই শুধুমাত্র এটির অনুমোদন দেবে। আর এই টোল দিতে হবে প্রণালিতে প্রবেশের আগেই এবং শুধুমাত্র বিটকয়েন এবং চীনা ইউয়ানে টোল গ্রহণ করবে ইরান।

এছাড়া, জাহাজ যেতে হবে ইরান উপকূলের কাছ দিয়ে; অর্থাৎ কাশেম এবং লারেক দ্বীপপুঞ্জের মধ্যবর্তী অঞ্চল দিয়ে জাহাজ নিতে হবে।

সেইসঙ্গে জানানো হয়েছে, ইরানের বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর জাহাজ সহজে হরমুজ পার হতে পারবে। কিন্তু, শত্রুভাবাপন্ন দেশের জাহাজ পার হতে হয় দেরি হবে নয়তো যেতেই দেওয়া হবে না।

ক্রিপ্টো কারেন্সি ও ইউয়ানে টোল নিতে চাওয়ার কারণ

যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর কঠোর আর্থিক নিষেধাজ্ঞার মধ্যে রয়েছে ইরান। তাই, তাদের জন্য ডলারে টোল নেওয়া খুবই কঠিন হবে। অপরদিকে ক্রিপ্টো কারেন্সি শনাক্ত করা যায় না। আর ইউয়ানে টোল নিলে পশ্চিমা ব্যাংকিং ব্যবস্থার ওপর তাদের নির্ভরশীল হতে হবে না।

ইরানের আঞ্চলিক সূত্র জানিয়েছে, ইউয়ান দিয়ে ইতোমধ্যে টোল আদায় শুরু করেছে তেহরান। তবে, এই ব্যবস্থা বেশ উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর জন্য।