
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। ফাইল ছবি
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে সম্মান জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ খামেনির একটি ছবি এবং সঙ্গে আবেগঘন ক্যাপশন দিয়ে তার প্রতি সম্মান জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।
পোস্টে লেখা হয়, সর্বোচ্চ নেতা, আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনি, একটি ধার্মিক জীবনযাপন করেছিলেন, ইরানকে ভালোবাসতেন, ইরানের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছিলেন, বিদেশি আধিপত্যের বিরোধিতা করেছিলেন এবং দেশের স্থিতিস্থাপকতা ও দৃঢ়তার জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন।
এতে আরও বলা হয়, ‘তার জীবনের শেষ পর্যায় – ১০ম রমজানে পৃথিবীর সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত ও অপরাধী ব্যক্তিদের হাতে শহীদ হিসেবে এক সম্মানজনক ও মর্যাদাপূর্ণ মৃত্যু – তাকে (খামেনি) ইরান এবং ইসলামের ইতিহাসে এক অনুপ্রেরণামূলক কিংবদন্তিতে পরিণত করেছে। তিনি চিরকাল তার হত্যাকারীদের জন্য একটি জীবন্ত দুঃস্বপ্ন হয়ে থাকবেন।’
এদিকে, খামেনিকে হত্যার ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিরুদ্ধে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা।
সামাজিক মাধ্যম এক্সে দেয়া এক পোস্টে ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলী লারিজানি বলেছেন, ‘গতকাল (শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি) ইরান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে এবং সেগুলো আঘাত হেনেছে।
তিনি বলেন, ‘আজ আমরা তাদের এমন শক্তি দিয়ে আঘাত করব, যা তারা আগে কখনও দেখেনি।’
এর আগে ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, ‘ইরান জানিয়েছে তারা আজ খুব জোরালোভাবে আঘাত হানবে, আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি।’
তিনি আরও লেখেন, ‘তারা যেন এমনটা না করে। সেটি হলে, তাহলে আমরা এমন শক্তি দিয়ে আঘাত করব, যা আগে কখনও দেখা যায়নি।’