
ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বলেছেন, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য বন্ধন বাংলাদেশ-ভারতের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সম্পর্ক আরও দৃঢ় করবে।
দুই বাংলার জয়প্রিয় শিল্পীদের সংগীতের পরিবেশনায় দেশটির হাইকমিশন ঢাকায় পালন করলো বাংলা বর্ষবরণ উৎসব।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাজধানীর ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টারে জমেছিল দুই বাংলার মানুষের চা-গল্প-আড্ডার আন্তরিকতার সঙ্গে সঙ্গীতের মনোরম মূর্চ্ছনা। ভারতীয় হাইকমিশন এবং এইচএসবিসি বাংলাদেশের যৌথভাবে আয়োজন করে বাংলা বর্ষ বরণের বিশেষ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা—‘বাঁধন আছে প্রাণে প্রাণে’।
সংগীতের মাধ্যমে দুই বাংলার সাংস্কৃতিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করার বার্তা নিয়ে এ অনুষ্ঠানে যোগ দেন সরকারের প্রতিনিধি, ভারতীয় হাইকমিশনার, কূটনীতিক, সাংস্কৃতিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার অতিথিরা।
নববর্ষকে ঘিরে সুর আর আবেগের এক অনন্য আয়োজনে দুই বাংলায় তুমুল জনপ্রিয় শিল্পী অদিতি মহসিন এবং শ্রীকান্ত আচার্য্যকে পাওয়া যায় একই মঞ্চে।
সুরের মূর্ছনার মুগ্ধতা কাউকে ফিরিয়ে নিয়ে গেছে শৈশবে, অনেককে আবার তারুণ্যে। অদিতির রবীন্দ্র সঙ্গীত মনের কোণের অনুভূতিকে যেমন নাড়া দিয়েছে, তেমনি শ্রীকান্তের যন্ত্রণা-আবেগ-প্রেমের আকুতি আবারো ভাবিয়েছে সবাইকে।
অনুষ্ঠান শেষে ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা জানান, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য বন্ধন- বাংলা ভাষা বাংলাদেশ-ভারতের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করবে।
সুর আর গানের জাদু দেশের সীমানা পেরিয়ে মানুষকে যুক্ত করে হৃদয়ের বন্ধনে বলেও মন্তব্য করেন প্রণয় ভার্মা।