News update
  • Tehran hits back across region after US and Israel attack Iran     |     
  • African Union calls for restraint in Middle East     |     
  • Iran-Israel Tensions Stoke Energy Risks for Bangladesh     |     
  • Jamaat Pledges Backing for ‘Reasonable’ Govt Moves     |     
  • IRGC Chief, Iran Defence Minister Killed in Strikes     |     

ইরান-ইসরাইল সংঘাত লাইভ: ইরানের স্কুলে হামলায় নিহত বেড়ে ৩৬

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক সংঘাত 2026-02-28, 6:41pm

yyrtertret-42414bf2afdb15b0b7c17ac3897e4dcf1772282500.jpg





ইরানে যৌথভাবে হামলা শুরু করেছে ইসরাইল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে এ হামলা শুরু করে তারা। ইসরাইলের হামলায় ইরানের একটি স্কুলে নিহত বেড়ে ৩৬ জনে দাঁড়িয়েছে। এর জবাবে পাল্টা হামলা শুরু করেছে ইরানও। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে হামলা করেছে ইরান। হামলায় আবুধাবিতে একজন নিহত হয়েছেন। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতেও হামলা করেছে ইরান।

দক্ষিণ ইরানের একটি স্কুলে হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। এতে অন্তত ৩৬ জন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। খবর আল জাজিরার।

এর আগে শনিবার সকালে ইরানে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। খবর আল জাজিরার।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ জানিয়েছে, দক্ষিণ ইরানের হরমোজগান প্রদেশের মিনাবে অবস্থিত একটি প্রাথমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ইসরাইল হামলা চালায়।

আগে জানানো হয়েছিল যে, ওই স্কুলে হামলায় পাঁচজন মেয়ে শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন।

এখন, ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে যে, নিহত ছাত্রীর সংখ্যা বেড়ে ৩৬ জনে দাঁড়িয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যখন ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে তখন ইরান ও ইসরাইলে ফ্লাইট চলাচল স্থগিত করেছে ইরানের মিত্র দেশ হিসেবে পরিচিত রাশিয়া।

মস্কোর পরিবহন মন্ত্রণালয় বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরান এবং ইসরাইল আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে। রাশিয়ান বিমান সংস্থাগুলো, মন্ত্রণালয় এবং রোসাভিয়াতসিয়া বিমান সংস্থাগুলোর সাথে সহযোগিতায়, পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলিতে নিরাপদ ফ্লাইট নিশ্চিত করার জন্য আগে থেকেই বিকল্প ফ্লাইট রুট তৈরি করেছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার, জর্ডান এবং কুয়েতে ইরানি হামলার ‘কঠোর ভাষায়’ নিন্দা জানিয়েছে সৌদি আরব।

আল জাজিরার জানিয়েছে, ‘রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব এবং আন্তর্জাতিক আইনের নীতি’ লঙ্ঘনের জন্য ‘ভয়াবহ পরিণতি’ ভোগ করতে হবে বলে সতর্ক করে দিয়েছে সৌদি আরব।

শনিবার সকালে ইরানে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। ইসরাইলি হামলায় ইরানের একটি স্কুলে পাঁচজন ছাত্রী নিহত হয়েছেন। খবর আল জাজিরার। 

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ জানিয়েছে, দক্ষিণ ইরানের হরমোজগান প্রদেশের মিনাবে অবস্থিত একটি প্রাথমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ইসরাইল হামলা চালায়।

ইসরাইলি-মার্কিন যৌথ সামরিক আগ্রাসনের জবাবে ইসরাইলের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশে হামলা চালিয়েছে ইরান। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, উপসাগরীয় অঞ্চলে কয়েকটি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে।

লক্ষ্যবস্তুগুলো হলো- কাতারের আল উদেইদ বিমান ঘাঁটি, কুয়েতের আল সালেম বিমান ঘাঁটি, সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল দাফরা বিমান ঘাঁটি ও বাহরাইনের পঞ্চম মার্কিন ঘাঁটি। এগুলো প্রধানত সামরিক গুরুত্বপূর্ণ স্থান। 

ইরান থেকে ছোড়া বেশ কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার পর সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে কমপক্ষে একজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

শনিবার দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থার বরাত দিয়ে আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

হামলার নিন্দা জানিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত জানিয়েছে, এই জাতীয় আক্রমণ জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। দেশটি আরও বলেছে, হামলার প্রতিক্রিয়া জানানোর পূর্ণ অধিকার তাদের রয়েছে।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার জেরে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। ইরানজুড়ে হামলার পর ইসরাইলে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়েছে দেশটির সশস্ত্র বাহিনী। এরইমধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকটি দেশেও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।

সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, এখন পর্যন্ত কাতার, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েতে বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে।

একজন জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, তারা ইসরাইলকে ‘সামনে যা আসছে তার জন্য প্রস্তুত থাকতে বলছে। তিনি আরও বলেনে, আমাদের প্রতিক্রিয়া মানুষের চোখের সামনে করা হবে এবং এতে কোনো সীমারেখা থাকবে না।

শনিবার আল জাজিরার সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এসব কথা বলেন।

ওই কর্মকর্তা জানান, ‘মধ্যপ্রাচ্যে সমস্ত আমেরিকান এবং ইসরাইলি সম্পদ এবং স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় আমাদের বৈধ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। 

ইসরাইলি-মার্কিন হামলায় কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী ‘পুরোপুরি প্রস্তুত’ রয়েছে। হামলাকারীরা তাদের কর্মকাণ্ডের জন্য ফল ভোগ করবে।

পরমাণু ইস্যুতে ওয়াশিংটন-তেহরান পরোক্ষ আলোচনার মধ্যে আজ শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরে শুরু করেছে ইসরাইল। মার্কিন ও ইসরাইলি যৌথ হামলায় তেহরানে ইরানি প্রেসিডেন্টের বাসভবনসহ ৩০টিরও বেশি স্থান লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। জবাবে ইসরাইলে পাল্টা হামলা শুরু করেছে ইরান। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন ঘাঁটিগুলো টার্গেট করা হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর উপসাগরীয় কয়েকটি দেশ তাদের আকাশ সীমা বন্ধ করে দিয়েছে।

সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, কাতার, কুয়েত এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতার নিজেদের আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে।

ইরানের ওপর মার্কিন ও ইসরাইলি সামরিক হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা এখন চরম আকার ধারণ করেছে।

ইরানের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় হামলার পর এবার সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদেও বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

ইরানের ওপর মার্কিন সামরিক হামলার তীব্র সমালোচনা করে রাশিয়ার নিরাপত্তা পরিষদের উপ-চেয়ারম্যান দিমিত্রি মেদভেদেভ বলেছেন, এই হামলার মাধ্যমে ওয়াশিংটন তাদের ‘আসল রূপ’ দেখিয়েছে।

শনিবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত মেদভেদেভ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে দেয়া এক বিবৃতিতে দাবি করেন, ইরানকে লক্ষ্য করে সামরিক অভিযান চালানোর আগে যুক্তরাষ্ট্র মূলত পরমাণু আলোচনাকে একটি ‘ছদ্মবেশ’ বা কভার-আপ হিসেবে ব্যবহার করেছে।

মেদভেদেভ বলেন, ‘তথাকথিত শান্তিকামীরা আবারও তাদের আসল চেহারা দেখালো। ইরানের সঙ্গে যাবতীয় আলোচনা ছিল আসলে একটি সাজানো অপারেশন। এ নিয়ে কারোর মনেই কোনো সন্দেহ ছিল না। আসলে কেউ কখনোই কোনো বিষয়ে একমত হতে বা সমঝোতায় পৌঁছাতে চায়নি।’

ইরানে হামলা শুরু করেছে ইসরাইল। আজ শনিবার ভোরে শুরু হওয়া এই হামলায় ইসরাইলের সঙ্গে যোগ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রও। মার্কিন ও ইসরাইলি যৌথ এ অভিযানে ইরানি প্রেসিডেন্টের বাসভবনসহ ৩০টিরও বেশি স্থান লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

সবচেয়ে বেশি হামলা চালানো হয়েছে রাজধানী তেহরানে। আল জাজিরার প্রতিবেদন মতে, তেহরানে এখন পর্যন্ত যেসব স্থান লক্ষ্যবস্তু হয়েছে বলে জানা গেছে, সেগুলো হলো—ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রণালয়, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, গোয়েন্দা মন্ত্রণালয়, প্রেসিডেন্টের বাসভবন, সর্বোচ্চ নেতার কার্যালয়, পরমাণু সংস্থা ও পারচিন সামরিক কমপ্লেক্স।

ইরানে চলমান ব্যাপক আক্রমণকে কাজে লাগিয়ে দেশের ধর্মীয় নেতৃত্বের শাসনব্যবস্থাকে উৎখাত করার আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প।

ইরানে হামলার পর এক ভিডিও বিবৃতিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানিদের প্রতি আহ্বান জানান, ইরানে চলমান তাদের ব্যাপক আক্রমণকে কাজে লাগিয়ে যেন তারা দেশের ধর্মীয় নেতৃত্বের শাসনব্যবস্থাকে উৎখাত করে।

তিনি বলেন, ‘যখন আমরা শেষ করব, নিজেদের সরকার দখলে নিন। এটি আপনাদের নেয়ার জন্য থাকবে। বহু প্রজন্মে এটাই সম্ভবত আপনাদের একমাত্র সুযোগ।’

তিনি ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদেরও সতর্ক করে বলেন, তারা যদি অস্ত্র ফেলে না দেয়, তাহলে ‘নিশ্চিত মৃত্যুর মুখোমুখি’ হতে হবে, তবে অস্ত্র সমর্পণ করলে তাদের ‘মুক্তি’ দেয়া হবে।

ইরানে যৌথ হামলা: ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়ে যা বললেন নেতানিয়াহু

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথভাবে ইরানে হামলার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ইসরাইলের যুদ্ধবাজ প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ‘ইরানের সন্ত্রাসী শাসকগোষ্ঠীর তৈরি করা হুমকি দূর করতে’ একটি অভিযান শুরু করেছে।

নেতানিয়াহু বলেন, আমি আমাদের মহান বন্ধু প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পকে তার ঐতিহাসিক নেতৃত্বের জন্য ধন্যবাদ জানাই। ৪৭ বছর ধরে আয়াতুল্লাহ শাসকগোষ্ঠী ‘ইসরাইলের মৃত্যু হোক’, ‘আমেরিকার মৃত্যু হোক’ স্লোগান দিয়ে আসছে।

বিবৃতিতে নেতানিয়াহু বলেন, ‘তারা আমাদের রক্ত ঝরিয়েছে, বহু আমেরিকানকে হত্যা করেছে এবং নিজেদের জনগণকেও হত্যা করেছে। এই হত্যাকারী সন্ত্রাসী শাসনব্যবস্থাকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র পেতে দেয়া যাবে না- যা তাদের সমগ্র মানবজাতিকে হুমকি দেয়ার সুযোগ করে দেবে। আমাদের যৌথ পদক্ষেপ সাহসী ইরানি জনগণকে নিজেদের ভবিষ্যৎ নিজের হাতে নেয়ার পরিবেশ সৃষ্টি করবে।’

ইরানে নতুন করে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে। শনিবার দুপুরের দিকে ইলাম শহরের পশ্চিম ও দক্ষিণাঞ্চলে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে বার্তা সংস্থা ইরনা জানিয়েছে। সংবাদ সংস্থা তাসনিম জানিয়েছে, তেহরানে ‘দুই বা তার বেশি’ বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার মধ্যে ইসরাইলে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান। এরইমধ্যে উত্তর ইসরাইলে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।

ইসরাইলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করে ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করার চেষ্টা চলছে। তবে হামলায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

ইসরাইল ইরানে যে হামলা শুরু করেছে তার নাম দেয়া হয়েছে ‘লায়ন’স রোর’। এই নামটি ঠিক করেছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।

আর ইসরাইলি সামরিক বাহিনী (আইডিএফ) এই হামলার নাম দিয়েছে ‘শিল্ড অব যুদাহ’ যেটাকে হিব্রুতে ‘মাজেন ইয়েহুদা’ বলা হচ্ছে। এর আগে ২০২৫ সালের জুন মাসে ইরানকে লক্ষ্য করে আইডিএফ যে অভিযান চালিয়েছিল, তার নাম ছিল ‘রাইজিং লায়ন’।

ইরানে যৌথভাবে হামলা চালিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ‍ও ইসরাইল। শনিবার সকালে ইসরাইলের সঙ্গে মিলে এ হামলার কথা স্বীকার করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে রয়টার্সের খবরে জানানো হয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন হামলা আকাশ ও সমুদ্রপথে পরিচালিত হচ্ছে। 

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিরুদ্ধে পাল্টা হামলা শুরু করেছে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী। ইসরাইলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ইরান থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র ইসরাইলের দিকে ধেয়ে আসার পর শনাক্ত করা হয়েছে। এ কারণে দেশের বিভিন্ন এলাকায় সাইরেন বেজে উঠেছে।

এক বিবৃতিতে ইসরাইলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ‘সাধারণ জনগণকে ইসরাইলের প্রতিরক্ষা বাহিনীর নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ করা হচ্ছে।’

এতে আরও বলা হয়, ‘এই মুহূর্তে ইসরাইলি বিমান বাহিনী হুমকি প্রতিহত ও প্রয়োজন হলে আঘাত হানতে কাজ করছে।

সেনাবাহিনী সতর্ক করে বলেছে, ‘ ইসরাইলের প্রতিরক্ষা সম্পূর্ণ নিরাপদ নয়, তাই জনগণের জন্য আইডিএফের নির্দেশনা মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি।’