News update
  • Ex-RAB Commander Taken Into Military Custody     |     
  • GPS Mandatory in All Public Transport From 1 August     |     
  • 32 officials involved in ‘controversial’ 2018 polls get retirement     |     
  • Access to finance BD's weakest business pillar despite improvement      |     
  • BAU researchers develop duck plague vaccine using local virus     |     

ইরান যুদ্ধের ভবিষ্যৎ নিয়ে ফোনালাপে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক সংঘাত 2026-05-22, 7:37am

retertwetew-c82e3623b22725db42fd4f4eba19f4ce1779413843.jpg




মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মধ্যে মঙ্গলবার একটি উত্তপ্ত ফোন আলাপ হয়েছে, যাতে ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ মোকাবেলার পদ্ধতি নিয়ে তাদের মধ্যে মতপার্থক্য দেখা গেছে। মার্কিন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী এ তথ্য জানা গেছে।

সিএনএন-এর পূর্ববর্তী এক প্রতিবেদন অনুসারে, ট্রাম্প সপ্তাহের শুরুতে ইরানের ওপর নতুন হামলা চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন- রোববার নেতানিয়াহুর সাথে এক কথোপকথনে ট্রাম্প এই তথ্য জানানোর পরই উত্তপ্ত ফোনালাপটি হয়। 

যে অভিযানটির কথা শুরুতে ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে বলেছিলেন, তার নাম ‘অপারেশন স্লেজহ্যামার’ দেয়া হতে পারে বলেও জানানো হয়।

পরে ট্রাম্প সেই হামলা বাতিলের ঘোষণা দেন। জানান, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ প্রধান উপসাগরীয় মিত্রদের অনুরোধের পর ট্রাম্প মঙ্গলবারের পরিকল্পিত হামলা স্থগিত করেছেন।

এদিকে, আলোচনা সম্পর্কে অবগত সূত্র জানিয়েছে, পরবর্তী দিনগুলোতে এই দেশগুলো হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তা ও পাকিস্তানের পাশাপাশি নতুন করে কূটনৈতিক আলোচনার একটি কাঠামো তৈরির জন্য জোরালো মধ্যস্থতা চালানোর চেষ্টা করছে।

কিন্তু ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে তাদের মধ্যে উত্তপ্ত কথাবার্তা হয়।  একজন মার্কিন কর্মকর্তা ও একটি ইসরাইলি সূত্রের মতে, মঙ্গলবার এক ঘণ্টাব্যাপী ফোনালাপে নেতানিয়াহু ট্রাম্পকে হামলা স্থগিত করাটা একটি ভুল ছিল বলে জানান। এছাড়া তিনি তাকে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী সামরিক অভিযান চালিয়ে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করেন।

‘মতপার্থক্যটা স্পষ্ট ছিল, ট্রাম্প দেখতে চান কোনো চুক্তিতে পৌঁছানো যায় কিনা, কিন্তু নেতানিয়াহু অন্য কিছু প্রত্যাশা করছিলেন।’ একজন ইসরাইলি কর্মকর্তা সিএনএনকে বলেছেন।

ট্রাম্প বুধবার সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা ইরানের সাথে আলোচনার শেষ পর্যায়ে আছি। দেখা যাক কী হয়।  হয় আমরা একটি চুক্তিতে পৌঁছাব, নয়তো আমাদের এমন কিছু করতে হবে যা কিছুটা অপ্রীতিকর হবে। তবে আশা করি তেমনটা ঘটবে না।’

কিন্তু নেতানিয়াহু, যিনি তেহরানের বিরুদ্ধে আরও অনেক বেশি আক্রমণাত্মক সামরিক অবস্থানের পক্ষে ধারাবাহিকভাবে কথা বলে আসছেন, ট্রাম্পের এই বিলম্বের কারণে ক্রমশ হতাশ হয়ে পড়েছেন। কারণ তিনি মনে করেন এটি কেবল ইরানের অবস্থানকেই শক্তিশালী করছে।

সিএনএন-কে আরেকটি ইসরাইলি সূত্র জানিয়েছে, এ নিয়ে নেতানিয়াহুর ঘনিষ্ঠ মহলে হতাশা তীব্র হয়েছে, জ্যেষ্ঠ ইসরাইলি কর্মকর্তারা নতুন করে হামলা চালানোর জন্য জোরালো চাপ দিচ্ছেন ও ইরানের কূটনৈতিক বিলম্ব বলে যা তারা বর্ণনা করছেন, তাতে বিরক্তি প্রকাশ করছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান নিয়ে ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর মধ্যে এটিই প্রথম মতবিরোধ নয়, বরং এর আগেও এমনটা হয়েছে।