News update
  • UNESCO Grants ‘Enhanced Protection’ to Mideast Sites     |     
  • Solar Irrigation Cuts Diesel Use for Bangladesh Farmers     |     
  • Trump claims Iran won’t close Hormuz strait again     |     
  • Trump says Israel ‘prohibited’ from bombing Lebanon     |     
  • Iran, US say Strait of Hormuz is fully open to commercial vessels     |     

কলাপাড়ায় সরকারী খাল দখল করে মাছ চাষ, কৃষকের জীবীকা নিয়ে শঙ্কা

মৎস 2026-04-04, 6:55pm

fish-culture-by-occupying-government-owned-canal-in-kalapara-52a807a1fded9c612a2dcc3c12fc20ee1775307303.jpg

Fish culture by occupying government owned canal in Kalapara



পটুয়াখালী: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় সরকারী খাল দখল করে প্রভাবশালীদের মাছ চাষে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন অগনিত কৃষক পরিবার। জীবন জীবীকা  নিয়ে শঙ্কায় পড়া এসকল কৃষক পরিবার গুলো সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে দীর্ঘদিন ধরে খালটি উদ্ধারের দাবী জানিয়ে আসলেও অদ্যবধি খালটি দখলমুক্ত করা যায়নি।

জানা যায়, খেপুপাড়া মৌজার পাঁচ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য'র জিনবুনিয়া খালটির টিয়াখালী ইউনিয়নের পশ্চিম বাদুরতলী অংশে অন্তত: সহস্রাধিক একর আবাদী জমি রয়েছে। এর উৎপাদিত ফসলের উপর নির্ভর করে  ওই এলাকার পাঁচ শতাধিক মানুষের জীবন-জীবিকা।

ওই এলাকার একটি কুচক্রী মহল সরকারী খালের শ্রেনী পরিবর্তন করে দখল করে নেয়। এতে ঘরবাড়ী তৈরীর পাশাপাশি পুকুর নালা কেটে মৎস্য চাষ করে যাচ্ছে। এসব অবৈদ দখলদারদের কারনে বর্ষা মৌসুমে ব্যাপক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হওয়ায় অনেক কৃষকের বাড়ী-ঘরে ঢুকে পড়ে পানি। এছাড়া কৃষক জমিতে চাষাবাদ না করতে পাড়ায় জমি অনাবাদী থেকে যায়। এতে অধিকাংশ কৃষক বছর জুড়ে আর্থিক সংকটে পড়ে সীমাহীন দূর্দিনে দিনাতিপাত করছেন।

এদিকে মো. এমাদুল এবং মো. ইসমাইল আকন ভুয়া জালজালিয়াতী কাগজপত্র সৃষ্টি করে সরকারী খাল দখল করে নিয়েছে। ওই জায়গায় নতুন করে বালু দিয়ে ভরাটের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন তারা।

এ বিষয়ে উপজেলার চিংগড়িয়া এলাকার গৌতম চন্দ্র হাওলাদার ভূমি মন্রনালয় সহ বিভিন্ন মন্রনালয়ে আবেদন করেও এর সুফল পায়নি। এছাড়া দখলদারদের হাত থেকে খাল রক্ষা করতে উপজেলার বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন একাধিকবার মানববন্ধন করে আবেদন জানালেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসন দখলদারদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না।

এ ব্যাপারে নাগরিক উদ্যোগ কলাপাড়ার আহবায়ক কমরেড নাসির তালুকদার বলেন, সরেজমিনে দেখেছি, কৃষকদের দূর্ভোগের চিত্র। উপজেলা প্রশাসনকে একাধিকবার অবহিত করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

চিংগড়িয়া এবং পশ্চিম বাদুরতলী এলাকার ভুক্তভোগী একাধিক কৃষক জানান, গুটি কয়েক মানুষের কারনে শতশত কৃষক পরিবারের সমস্যা হচ্ছে। ওই ভূমিদস্যুরা সরকারী নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে দখল কাজ অব্যাহত রেখেছে, যা হতাশাজনক বলেও উল্লেখ করেন তারা।

এর আগে অবৈধ দখলকারী মো. এমাদুল ১০-১১-২০২১ তারিখ পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক সহ ৬ কর্মকর্তাকে বিবাদী করে ( মামলা নং ১৬৯৫) আদালতে একটি মামলা করলে ২০-৫-২০২৫ কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইয়াসীন সাদেক বিবাদী পক্ষের বর্নানায় মামলাটির বিবরন মিথ্যা, বানোয়াট এবং ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করেন।

 এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মো. এমাদুল এবং ইসমাইল হোসেনের সাথে মুঠোফোনে একাধিক বার যোগাযোগের চেষ্টা করেও সংযোগ পাওয়া যায়নি। - UNB