News update
  • Bangladesh, EU Push for FTA, Investment Pact Talks     |     
  • Over 1.14cr workers sent to Middle East in 22 years     |     
  • BNP finalizes 36 nominations for women’s seats in Parliament     |     
  • Alarming trans-fat levels in food despite regulations: BFSA      |     
  • BD, EU to sign Partnership Coop Agreement (PCA) Monday     |     

দৌড়ে মানুষের রেকর্ড ভাঙল চীনা রোবট

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি 2026-04-21, 7:22am

htyerterte-a29d20ded71c6fb1a33fc878a0c62d191776734544.jpg




বেইজিং হাফ ম্যারাথনে মানুষের বিশ্বরেকর্ডকেও ছাড়িয়ে গেছে চীনের তৈরি একটি হিউম্যানয়েড রোবট। সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এপি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এই রোবটটি ২১ কিলোমিটারের দৌড় শেষ করেছে মাত্র ৫০ মিনিট ২৬ সেকেন্ডে, যা মানুষের বিশ্বরেকর্ডের চেয়েও দ্রুত। এ বছরের মার্চে লিসবন রোড রেসে উগান্ডার দৌড়বিদ জ্যাকব কিপলিমো একই দূরত্ব প্রায় ৫৭ মিনিটে শেষ করেছিলেন।

গত বছর প্রথমবার এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। সেবার বিজয়ী রোবট সময় নিয়েছিল ২ ঘণ্টা ৪০ মিনিট ৪২ সেকেন্ড। অর্থাৎ এ বছর রোবট প্রযুক্তির অনেক উন্নতি হয়েছে।

এই রোবটটি তৈরি করেছে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অনার। প্রতিষ্ঠানটির প্রকৌশলী ডু শিয়াওদি জানান, দক্ষ দৌড়বিদদের মতো করে রোবটটির নকশা করা হয়। এর পা প্রায় ৯৫ সেন্টিমিটার লম্বা এবং এতে শক্তিশালী লিকুইড-কুলিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়েছে, যা অনেকটাই নিজেদের তৈরি প্রযুক্তি। ভবিষ্যতে এই প্রযুক্তি শিল্পক্ষেত্রেও ব্যবহার করা যেতে পারে।

তবে প্রতিযোগিতা একেবারে সহজ ছিল না। কেউ শুরুতেই পড়ে গেছে, আবার কেউ দৌড়ের সময় ধাক্কা খেয়েছে। এই ইভেন্টে প্রায় ৪০ শতাংশ রোবট নিজেরাই দৌড় শেষ করেছে। আর বাকি ৬০ শতাংশ ছিল রিমোট কন্ট্রোলড। মজার বিষয় হলো, অনারের একটি রিমোট কন্ট্রোলড রোবট সবচেয়ে দ্রুত সময়ে ৪৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ডে শেষ করেছিল। কিন্তু সেটি স্বয়ংক্রিয় না হওয়ায় চূড়ান্ত বিজয়ী হয়নি।

দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানেও একই কোম্পানির স্বয়ংক্রিয় রোবট ছিল, যারা যথাক্রমে প্রায় ৫১ মিনিট ও ৫৩ মিনিটে দৌড় শেষ করে।

প্রতিযোগিতায় একটি রোবট ট্রাফিক পুলিশের মতো হাত ও কণ্ঠ দিয়ে অংশগ্রহণকারীদের দিকনির্দেশনাও দিয়েছে।

চীনে প্রযুক্তি এখন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রতিযোগিতার একটি বড় ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে, যার সঙ্গে জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়টিও জড়িত। দেশটির নতুন পাঁচ বছর মেয়াদি পরিকল্পনায় (২০২৬–২০৩০) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রগতিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।