News update
  • 7 fake CID members held in Magura kidnapping attempt     |     
  • Flood on Nepal-Tibet Border Kills at Least 95     |     
  • US Suspends Visa Interviews Worldwide for Consular Training     |     
  • Mecca Pact Puts Bangladesh’s Foreign Policy to New Test     |     
  • Remittance reaches $2.34 billion in first 24 days of August     |     

৬ মাসে ২ কোটির বেশি গাছ রোপণ করেছে সরকার

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক বন 2026-08-26, 11:58pm

img_20260826_235807-2865092725046298ae46a2599b65aae71787767107.jpg




ক্ষমতা গ্রহণের প্রথম ছয় মাসেই সারাদেশে প্রায় ২ কোটি ২২ লাখ ৬৮ হাজার গাছের চারা রোপণ সম্পন্ন করেছে সরকার। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা ও পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারে ঘোষিত পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। 

বর্তমানে বার্ষিক ৫ কোটি ১৪ লাখ ৮৮ হাজার ৯৩০টি চারা রোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে প্রশাসন। সরকারি মূল্যায়নে জানা গেছে, গত ছয় মাসে এই নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৪৩ দশমিক ২৫ শতাংশ সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে। বন বিভাগসহ মোট ১১টি সরকারি সংস্থা এই সবুজায়ন উদ্যোগে সরাসরি কাজ করছে।

তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, কর্মসূচি বাস্তবায়নে সর্বাগ্রে রয়েছে বন অধিদপ্তর। সংস্থাটি একা ১ কোটি ১৯ লাখ ২৮ হাজার ৪৪২টি চারা রোপণ করেছে। তালিকায় এর পরেই রয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ; তারা রোপণ করেছে ৭১ লাখ ৬৪ হাজার ১৩৫টি চারা। বাকি চারাগুলো কৃষি মন্ত্রণালয়, সড়ক পরিবহন বিভাগ, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং গৃহায়ন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে রোপণ করা হয়।

প্রতিটি অঞ্চলের মাটির চরিত্র ও উপযোগী পরিবেশ বিবেচনা করে প্রজাতির গাছ নির্বাচন করা হচ্ছে। পার্বত্য এলাকায় গর্জন, চাপালিশ, সেগুন ও বাঁশ; উপকূলবর্তী অঞ্চলে ম্যানগ্রোভজাতীয় কেওড়া, বাইন ও ঝাউ এবং হাওর-বিল পরিবেষ্টিত জলাভূমিতে হিজল, কদম ও করচ জাতীয় চারা লাগানোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশ, বন ও জলবায়ুবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. মো. সাইমুম পারভেজ জানান, সরকারি সংস্থার পাশাপাশি এনজিওগুলোর মাধ্যমেও আরও ৪০ লাখ গাছ রোপণ করা সম্ভব হয়েছে। এ ছাড়া আগস্ট-সেপ্টেম্বরের মধ্যে উপকূল রক্ষায় ২ কোটি ম্যানগ্রোভ চারা রোপণের আরেকটি স্বতন্ত্র প্রকল্প চূড়ান্তের পথে রয়েছে। সব মিলিয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়া সম্ভব বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে সরকার।