News update
  • Philip Sangma arrested for aiding Hadi murder suspects escape     |     
  • Govt Issues Notice on Visa Extension for Expatriates     |     
  • Khamenei Warns US, Israel in First Speech as Leader     |     
  • Protests, Walkout Mark President’s Address in Parliament     |     
  • UNSC fails to adopt resolution for halting Middle East crisis     |     

তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২০০ ডলার হবে, হুঁশিয়ারি ইরানের

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক জ্বালানী 2026-03-12, 9:20am

ertertwerwer3242-b7c08034bd805be6e6c142ce2030b70b1773285621.jpg




বিশ্ববাজারে তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ২০০ ডলারে পৌঁছাতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির দাবি, তেলের দাম আঞ্চলিক নিরাপত্তার ওপর নির্ভর করে যা ইরানে হামলা চালিয়ে নষ্ট করে দেয়া হয়েছে।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার পর থেকেই বিশ্বের তেলের বাজার অস্থির হয়ে রয়েছে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকায় দিন দিন বাড়ছে তেলের দাম। এমন পরিস্থিতিতে ইরান আগ্রাসন চালানো দেশগুলো ও তাদের সমর্থকদের কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

দেশটির সামরিক কমান্ড জানিয়েছে, অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ২০০ ডলারে পৌঁছাতে পারে। এই অস্থিতিশীলতার জন্য পশ্চিমা দেশগুলো এবং তাদের মিত্ররা দায়ী।

হুঁশিয়ারির পাশাপাশি ইরান সরাসরি তেল সরবরাহ বন্ধের পদক্ষেপ নিয়েছে। তেহরানের সামরিক মুখপাত্র ইব্রাহিম জোলফাকারি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলে এক লিটার তেলও যেতে দেয়া হবে না। এছাড়া তাদের মিত্র দেশগুলোর কোনো জাহাজ বা ট্যাঙ্কার এই পথে চলাচল করলে সেটিকে বৈধ সামরিক লক্ষ্যবস্তু হিসেবে গণ্য করে হামলা চালানো হবে।

এর আগে জ্বালানি সরবরাহ সচল রাখতে ও তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা আইইএ ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নিয়েছে। সংস্থার ৩২টি সদস্য দেশ একমত হয়ে জরুরি মজুত থেকে রেকর্ড ৪০ কোটি ব্যারেল তেল বাজারে ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেয়। আইইএ-র ইতিহাসে এটি এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় জরুরি হস্তক্ষেপ।

বিশ্বের প্রভাবশালী বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, আইইএ-র এই রেকর্ড তেল ছাড় সাময়িক স্বস্তি দিলেও দীর্ঘমেয়াদি সংকটের সমাধান নয়। কারণ প্রতিদিন যে পরিমাণ তেল হরমুজ প্রণালি দিয়ে সরবরাহ হতো, তা মজুত ভাণ্ডারের মাধ্যমে পূরণ করা প্রায় অসম্ভব। ফলে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে তেলের দাম লাগামছাড়া হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

 বিশ্বের জ্বালানি ধমনি হিসেবে পরিচিত হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল এখন পুরোপুরি বন্ধ। বৈশ্বিক তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ এই সরু জলপথ দিয়ে হয়, যা বর্তমানে যুদ্ধের কারণে থমকে গেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৯৭০ সালের ঐতিহাসিক তেল সংকটের পর এটি জ্বালানি সরবরাহে সবচেয়ে বড় বিপর্যয় হিসেবে দেখা দিচ্ছে।