
চীনের ‘ওয়ান চায়না পলিসি’ বা এক চীন নীতির প্রতি দৃঢ় সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একইসঙ্গে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার ভবিষ্যতে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ককে আরও উচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাবে।
চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আমন্ত্রণে সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে দেশটির রাজধানী বেইজিং পৌঁছান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সেখানে তিনি গত বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) থেকে সফররত বিএনপির ১৯ সদস্যের প্রতিনিধি দলের সাথে যুক্ত হন। এরপর রাতে চীনের ভাইস মিনিস্টার জিন ঝিনের আমন্ত্রণে বেইজিংয়ের একটি অভিজাত হোটেলে নৈশভোজে অংশ নেয় বিএনপির এই উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল।
নৈশভোজে অংশ নিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘চীন ও বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ভ্রাতৃপ্রতিম ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক কালের কঠিন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এবং শক্ত ভিতের ওপর প্রতিষ্ঠিত।’
এ সময় তিনি চীনের ‘ওয়ান চায়না পলিসি’র ওপর বাংলাদেশের দৃঢ় সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। একইসঙ্গে বাংলাদেশে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার দুই দেশের সম্পর্ককে আরও সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে আশাবাদ জানান তিনি।
সফরের সূচি অনুযায়ী, মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকাল ১১টায় আইডিসিপিসির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইজিংয়ের সাথে আইডিসিপিসি ভবনে বৈঠক করবেন মির্জা ফখরুল। একই দিন বিকেলে গ্রেট হলে চীনের ভাইস প্রেসিডেন্ট হ্যান জেংয়ের সাথেও তার আনুষ্ঠানিক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করার কথা রয়েছে।
সফররত বিএনপির প্রতিনিধি দলে রয়েছেন: বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) ইসমাইল জবিউল্লাহ, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী এমপি, ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শামসুজ্জামান দুদু ও এস এম আসাদুজ্জামান রিপন, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন এমপি ও হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য নজমুল হক নান্নু ও বেবি নাজনীন, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ড. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।
এছাড়া প্রতিনিধি দলে আরও রয়েছেন: জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সহসম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল এমপি, সমাজকল্যাণ সম্পাদক কামরুজ্জামান রতন এমপি, সহ-স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য নিলুফার চৌধুরী মনি, বাংলাদেশ জুট ওয়ার্কার পার্টির সভাপতি সায়েদ আল নোমান এমপি, মাগুরা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মনোয়ার হোসেন এমপি, মায়ের ডাকের আহ্বায়ক সানজিদা ইসলাম, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক কামাল আনোয়ার আহমেদ, বিএনপি মহাসচিবের এপিএস ও জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ ইউনুস আলী, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আমান উল্লাহ আমান এবং প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টার সহকারী একান্ত সচিব ও বিএনআরসির (বিএনপি গবেষণা উইং) রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট মীর সোলাইমান।