News update
  • Trump reviews peace plan; UN calls for Hormuz to reopen     |     
  • SC upholds Ex-Chief Justice Khairul Haque’s bail in 5 cases     |     
  • Rosatom DG Alexey Likhachev meets PM Tariqur Rahman     |     
  • White House says Iran’s new proposal to end war ‘being discussed’     |     

রূপপুরে ‘জ্বালানি লোডিং’ আজ, বিদ্যুৎ পেতে অপেক্ষা আরও ৩ মাস

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক বিদ্যুৎ 2026-04-28, 11:36am

paabnaa-e6d57d045df931f04a205ea8fc3657251777354572.jpg




বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালুর পথে আজ মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ অতিক্রম করতে যাচ্ছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে আজ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জ্বালানি (ইউরেনিয়াম) লোডিং কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। সব প্রস্তুতি শেষে আজ বিকেলে প্রথম ইউনিটে শুরু হতে যাচ্ছে পরমাণু জ্বালানি ইউরেনিয়াম লোডিং কার্যক্রম। এর ফলে দেশ প্রথমবারের মতো পরমাণু শক্তি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের চূড়ান্ত পর্যায়ে প্রবেশ করল। তবে আজ জ্বালানি (ইউরেনিয়াম) লোডিং কার্যক্রম শুরু হলেও বিদ্যুৎ পেতে অপেক্ষা করতে হবে আরও ৩ মাস।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সকালে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন জানান, সংশ্লিষ্ট সব কর্মকর্তা ও রুশ কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনার ভিত্তিতে ২৮ এপ্রিল জ্বালানি লোডিংয়ের তারিখ চূড়ান্ত করা হয়েছে। এই প্রক্রিয়া শুরুর তিন মাসের মধ্যে- অর্থাৎ জুলাইয়ের শেষ বা আগস্টের শুরুতে প্রথম ইউনিট থেকে পরীক্ষামূলকভাবে প্রায় ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হতে পারে। ধীরে ধীরে উৎপাদন বাড়িয়ে ২০২৭ সালের জানুয়ারির মধ্যে কেন্দ্রটি পূর্ণ সক্ষমতায় পৌঁছাবে।

এর আগে কারিগরি কিছু বিষয় ও লাইসেন্স প্রাপ্তিতে বিলম্ব হওয়ায় গত ৭ এপ্রিলের নির্ধারিত লোডিং কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছিল। 

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান জানান, সব চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে গত ১৬ এপ্রিল কেন্দ্রটিকে ফুয়েল লোডিংয়ের চূড়ান্ত লাইসেন্স প্রদান করা হয়েছে।

কেন্দ্রটি পরিচালনার জন্য ইতোমধ্যে ৫২ জন বিশেষজ্ঞ কঠোর আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে লিখিত, মৌখিক ও সিমুলেশন পরীক্ষার মাধ্যমে লাইসেন্স অর্জন করেছেন। 

নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. জায়েদুল হাসান বলেন, রাশিয়ার নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে এই লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। লাইসেন্সধারী বিশেষজ্ঞ ও রুশ অপারেটরদের সমন্বয়ে অত্যন্ত কঠোর নিরাপত্তা বলয়ে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি পরিচালিত হবে।

পাবনার ঈশ্বরদীতে পদ্মা নদীর তীরে ১২ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে নির্মিত এই প্রকল্পে রাশিয়ার আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় দুটি ভিভিইআর-১২০০ রিঅ্যাক্টর স্থাপন করা হয়েছে। দুটি ইউনিট পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হলে কেন্দ্রটি থেকে মোট ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে, যা দেশের মোট চাহিদার ১০ শতাংশের বেশি পূরণ করবে।