News update
  • Bangladesh, EU Push for FTA, Investment Pact Talks     |     
  • Over 1.14cr workers sent to Middle East in 22 years     |     
  • BNP finalizes 36 nominations for women’s seats in Parliament     |     
  • Alarming trans-fat levels in food despite regulations: BFSA      |     
  • BD, EU to sign Partnership Coop Agreement (PCA) Monday     |     

চাঁদে মানুষ পাঠাচ্ছে নাসা

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি 2026-04-02, 8:00am

ert423423423-14dc32eee7d0852fbe9936d06b8623621775095201.jpg




দীর্ঘ প্রায় ৫৩ বছর পর আবারও মানুষকে চাঁদের কক্ষপথে পাঠাতে যাচ্ছে নাসা। সর্বশেষ ১৯৭২ সালে অ্যাপোলো ১৭ অভিযানের মাধ্যমে চাঁদে নভোচারী পাঠানো হয়েছিল। 

সেই অভিযানের পর এবারই প্রথম নতুন করে মানবসহ চন্দ্রাভিযান শুরু হচ্ছে। দীর্ঘ সময় পর আবারও চাঁদে নভোচারী পাঠাতে যাচ্ছে তর্কসাপেক্ষে বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর রাষ্ট্র যুক্তরাষ্ট্র।

বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, আর্টেমিস টু অভিযানের আওতায় বুধবার (১ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা থেকে চার নভোচারী মহাকাশযাত্রা শুরু করবেন। বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) ভোর ৪টা ২৪ মিনিটে এই উৎক্ষেপণ হওয়ার কথা রয়েছে।

এই অভিযানে অংশ নিচ্ছেন মার্কিন নভোচারী রিড ওয়াইজম্যান, ভিক্টর গ্লোভার ও ক্রিস্টিনা কচ। তাদের সঙ্গে রয়েছেন কানাডার জেরেমি হ্যানসেন। তিন পুরুষ ও এক নারী নভোচারীর এই দল মহাকাশ অভিযানে নতুন ইতিহাস গড়তে চলেছে।

প্রায় ১০ দিনের এই অভিযানে মহাকাশযানটি চাঁদের কক্ষপথ ঘুরে পৃথিবীতে ফিরে আসবে। তবে এবার চাঁদে অবতরণ করা হবে না। ১৯৬৮ সালের অ্যাপোলো ৮ অভিযানের মতোই কক্ষপথ প্রদক্ষিণই মূল লক্ষ্য।

নাসার নতুন শক্তিশালী রকেট ‘এসএলএস’ ব্যবহার করে এই অভিযান পরিচালিত হবে। কমলা-সাদা রঙে রাঙানো রকেটটি ভবিষ্যতে একাধিক চন্দ্রাভিযানে ব্যবহারের উপযোগী করে তৈরি করা হয়েছে।

এই মিশনের মাধ্যমে ২০২৮ সালের মধ্যে চাঁদে নভোচারী অবতরণ এবং নিরাপদে ফিরে আসার পথ সুগম হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। আর্টেমিস প্রকল্পের চূড়ান্ত লক্ষ্য একটি স্থায়ী মহাকাশ ঘাঁটি তৈরি করা। 

নভোচারী কচ সংবাদ সম্মেলনে জানান, চাঁদে অভিযানের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে অদূর ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহেও অভিযান পরিচালনা করা হবে। তিনি আরও বলেন, অতীতে সেখানে প্রাণের অস্তিত্ব ছিল এমন প্রমাণও আমরা খুঁজে পেতে পারি।  

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এই প্রথম কোনো চন্দ্রাভিযানে একজন নারী, একজন কৃষ্ণাঙ্গ এবং একজন অ-মার্কিন নভোচারী একসঙ্গে অংশ নিচ্ছেন যা মহাকাশ ইতিহাসে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।

ফেব্রুয়ারিতে অভিযানটি শুরু হওয়ার কথা থাকলেও বহুবার কারিগরি সমস্যার কারণে সময়সূচি পরিবর্তন করা হয়।

নাসার সহযোগী প্রশাসক অমিত ক্ষত্রিয় সম্প্রতি গণমাধ্যমকে জানান, মহাকাশযানটি এখন প্রস্তুত। সকল প্রক্রিয়া প্রস্তুত আছে। ক্রুরাও প্রস্তুত।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) বিকেলে নাসার কর্মকর্তারা নিশ্চয়তা দেন, সব ধরনের প্রকৌশল কার্যক্রম ও চূড়ান্ত প্রস্তুতি ঠিকভাবে আগাচ্ছে। ইতিবাচক রয়েছে আবহাওয়ার পূর্বাভাসও।

আবার কোনো কারণে বুধবারের অভিযান বাতিল বা বিলম্বিত হলে ৬ এপ্রিলের মধ্যে তা আবারও শুরুর সুযোগ আছে বলে জানান কর্মকর্তারা।

বেশ কয়েকবার বিলম্বিত হওয়ার জন্য আর্টেমেসি প্রকল্পটি বেশ ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছে। এদিকে দ্রুত অভিযান শুরুর জন্য ক্রমাগত চাপ দিয়ে যাচ্ছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ২০২৯ সালের শুরুতে তার দ্বিতীয় ও বর্তমান আইন অনুযায়ী, শেষ মেয়াদ ফুরিয়ে যাওয়ার আগেই তিনি চাঁদের বুকে মার্কিন নভোচারীদের বুট জুতার ছাপ দেখতে চান বলে দাবি করেছেন।