News update
  • Telcos Seek Priority Power, Fuel to Avert Outages     |     
  • IFRC, BDRCS 6-Month Lifesaving Response to Measles Cases     |     
  • First cruise ship crosses Strait of Hormuz since war began     |     
  • MDBs stress co-op support global stability amid uncertainty     |     
  • PM opens first Hajj flight, visits Ashkona camp     |     

তেলের দাম কেন বাড়িয়েছে সরকার, জানালেন অর্থমন্ত্রী

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক বানিজ্য 2026-04-19, 6:34pm

etert45345-feb61ce23398b218dc7b3951ac9296f11776602080.jpg




তহবিলের ওপর চাপ তৈরি হওয়ায় সরকার জ্বালানি তেলের দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। 

রোববার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে এমনটা জানান তিনি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, সারা বিশ্বে তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে। দেশের জনগণের স্বার্থে, তাদের কথা মাথায় রেখে এতদিন দাম বাড়ায়নি সরকার। সবাই প্রশ্ন করেছে, কেন তেলের দাম বাড়ানো হচ্ছে না, তহবিল খালি হয়ে যাচ্ছে।

তেলের দাম বাড়ানোর এই সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে আইএমএফের কোনও চাপ আছে কি না; এমন প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, তেলের দাম বাড়ানোর সঙ্গে আইএমএফের কোনো সম্পর্ক নেই। তহবিলের ওপর অনেক প্রেশার (চাপ) তৈরি হয়েছিল বলে দাম বাড়ানো হয়েছে। দেশের অর্থনীতি ও আগামী বাজেটের কথা মাথায় রেখে দাম সামান্য বাড়ানো হয়েছে।

জ্বালানির এই মূল্যবৃদ্ধির ফলে মূল্যস্ফীতি বাড়বে কিনা; এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তেলের দাম বাড়ার ফলে মূল্যস্ফীতি বাড়তে পারে, আবার না-ও পারে। তবে, সরকার তেলের মজুদ ঠিক রেখেছে। শুধু তেলের দামের ওপর নির্ভর করে মুদ্রাস্ফীতি বাড়ে না।

আইএমএফের ঋণ ছাড় প্রসঙ্গে অপর এক প্রশ্নের জবাবে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আইএমএফ, ওয়ার্ল্ড ব্যাংকসহ বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে আলোচনা চলমান প্রক্রিয়া, এটি চলতে থাকবে। আলোচনা এখনও শেষ হয়নি। দাতা সংস্থার চাওয়া আছে, বাংলাদেশেরও চাওয়া-পাওয়া আছে। তারা চাইলেই তাদের কথামতো করতে পারব না, কারণ সরকার গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত। অনেক কিছুতে সরকার জনগণের কাছে ওয়াদাবদ্ধ, প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জনগণের স্বার্থ সংরক্ষণের বাইরে গিয়ে দাতা সংস্থার কাছ থেকে কোনোকিছু নেবো না। এটা মিউচ্যুয়াল ব্যাপার।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা আরও ১৫ থেকে ২০ দিন চলতে পারে। বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে মোটামুটি আলোচনা হয়ে গেছে, এটি শেষের দিকে। এছাড়া এডিবি, ইন্টারন্যাশনাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার ব্যাংকের সঙ্গে আলোচনা হয়ে গেছে। আইএমএফের সঙ্গেও যেগুলো পেন্ডিং আছে, সেগুলো নিয়ে আলোচনা চলছে। দেশের জনগণ, ব্যবসায়ী, অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করে এমন সিদ্ধান্ত সরকার নিতে পারবে না। শুধু ওদের সিদ্ধান্তের ব্যাপার নয়, বাংলাদেশেরও সিদ্ধান্তের ব্যাপার আছে।

তিনি আরও বলেন, আইএমএফের সঙ্গে প্রোগ্রামটি আওয়ামী লীগের সময় নেওয়া হয়েছে। এখানে অনেক শর্ত আছে, এর অনেকগুলো বিএনপি সরকারের কাছে গ্রহণযোগ্য নাও হতে পারে। 

আমির খসরু বলেন, আওয়ামী লীগ ছিল অনির্বাচিত সরকার, বিএনপি নির্বাচিত সরকার। আইএমএফের সঙ্গে শর্ত যদি জনগণের কোনো ধরনের স্বার্থ সংরক্ষণে বাধা হয়, সে সিদ্ধান্ত নির্বাচিত সরকার নেবে না। আইএমএফের সঙ্গে আওয়ামী লীগের যে প্রোগ্রাম সেটি ৬ থেকে ৭ মাস পর শেষ হয়ে যাচ্ছে। পরবর্তীতে প্রোগ্রামে যাওয়া হবে কিনা, সেটি এই সরকার সিদ্ধান্ত নেবে। সোশ্যাল ওয়েলফেয়ারকে বাইরে রেখে কোনো দাতা সংস্থার শর্ত পূরণের সুযোগ নেই।