News update
  • Philip Sangma arrested for aiding Hadi murder suspects escape     |     
  • Govt Issues Notice on Visa Extension for Expatriates     |     
  • Khamenei Warns US, Israel in First Speech as Leader     |     
  • Protests, Walkout Mark President’s Address in Parliament     |     
  • UNSC fails to adopt resolution for halting Middle East crisis     |     

খারগ দ্বীপে কেন হামলা করল যুক্তরাষ্ট্র, ইরানের জন্য দ্বীপটি কতটা গুরুত্বপূর্ণ?

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক সংঘাত 2026-03-14, 9:54am

retretwerwerwe-ed327673677a74a5d83fc73ad45ddb311773460447.jpg




ইরান উপকূলে হরমুজ প্রণালির কাছে অবস্থিত খারগ দ্বীপে বোমা হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। তবে এখন পর্যন্ত দ্বীপটির তেল অবকাঠামোতে আঘাত করা হয়নি বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। খারগ দ্বীপের গুরুত্বের কারণে মার্কিন হামলাকে অনেক বিশ্লেষক উত্তেজনা বৃদ্ধির বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।

স্থানীয় সময় শুক্রবার (১৩ মার্চ) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেয়া পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসে অন্যতম শক্তিশালী বিমান হামলা চালিয়েছে। তারা ইরানের ‘মুকুটের মণি’ হিসেবে পরিচিত খারগ দ্বীপের প্রতিটি সামরিক লক্ষ্যবস্তু পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমি এখনো  দ্বীপটির তেল অবকাঠামো ধ্বংস করার সিদ্ধান্ত নেইনি। তবে ইরান বা অন্য কেউ যদি হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের স্বাধীন ও নিরাপদ পথ ব্যাহত করার চেষ্টা করে, তাহলে আমি এই সিদ্ধান্তও পুনর্বিবেচনা করব।’

ট্রাম্প দ্বীপটিকে ইরানের ‘ক্রাউন জুয়েল’ বা মুকুটের মণি হিসেবে উল্লেখ করেছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্টের বক্তব্য অতিরঞ্জিত নয় বলেই মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। পারস্য উপসাগরের উত্তরের দিকে, ইরানের বন্দর শহর বুশেহরের কাছে অবস্থিত এই দ্বীপটি ইরানের তেল অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি। 

ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী দ্বীপটির সামরিক স্থাপনাগুলো ধ্বংস হয়ে থাকে, তাহলে ভবিষ্যতে মার্কিন বাহিনীর জন্য দ্বীপটিতে অভিযান চালানো বা দখল নেয়া তুলনামূলক সহজ হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। আর যুক্তরাষ্ট্র যদি তা করতে সক্ষম হয়, তাহলে ইরানের তেল রফতানির ওপর কার্যত নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে পারবে তারা।

এদিকে খারগ দ্বীপে হামলার পর এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র সংশ্লিষ্ট তেল ও জ্বালানি স্থাপনায় হামলার হুমকি দিয়েছে ইরান। ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর খাতাম আল-আম্বিয়া কেন্দ্রীয় সদরদফতরের এক মুখপাত্র বলেন,  যদি ইরানের তেল অবকাঠামোর ওপর হামলা হয়, তাহলে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যেসব তেল ও জ্বালানি অবকাঠামোতে মার্কিন কোম্পানির অংশীদারিত্ব আছে বা যারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতা করে, সেগুলো ধ্বংস করে দেয়া হবে।

দ্বীপটি কেন গুরুত্বপূর্ণ?

প্রায় পাঁচ মাইল দৈর্ঘ্যর খারগ দ্বীপটি ইরানের উপকূল থেকে প্রায় ১৫ নটিক্যাল মাইল দূরে অবস্থিত। এটিকে ইরানের ‘তেলের লাইফলাইন’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে দ্বীপটিতে খুব বেশি বাসিন্দা না থাকলেও, দেশটির রফতানিযোগ্য অপরিশোধিত তেলের প্রায় ৯০ শতাংশ এখান দিয়েই পরিবাহিত হয়। 

বড় বড় তেলবাহী ট্যাংকার প্রথমে তেল নিয়ে এই দ্বীপে আসে, তারপর পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালি হয়ে বিভিন্ন দেশে যায়। এরমধ্যে ইরানি তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা চীনও রয়েছে। কিন্তু এই দ্বীপে প্রবেশ বা ব্যবহার বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে তা ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের অর্থনীতিকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

চলতি মাসের শুরুতে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প দ্বীপটি দখলে নেয়ার জন্য বিশেষ বাহিনী পাঠানোর কথা ভাবছেন।

সূত্র: আল জাজিরা, বিবিসি