
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মেয়ে, জামাতা ও নাতি বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন। রোববার (১ মার্চ) ইরানি সংবাদমাধ্যম ফার্স সংবাদ সংস্থার বরাতে আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি মারা গেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের এ দাবির পর এ খবর জানা গেল।
ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘খামেনি, ইতিহাসের অন্যতম দুষ্টু ব্যক্তি, মারা গেছেন। এটি শুধু ইরানের জনগণের জন্য ন্যায়বিচার নয়, বরং সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সেই মহান আমেরিকানদের জন্যও ন্যায়বিচার, যারা খামেনি ও তার রক্তপিপাসু সন্ত্রাসী দলের হাতে নিহত বা ক্ষতবিক্ষত হয়েছেন। তিনি আমাদের গোয়েন্দা ও অত্যাধুনিক ট্র্যাকিং ব্যবস্থার নজর এড়াতে পারেননি এবং ইসরাইলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে আমরা নিশ্চিত করেছি যে তিনি বা তার সঙ্গে নিহত অন্য নেতারা কিছুই করতে পারেননি।’
ট্রাম্প আরও লিখেছেন, ‘এটি ইরানের জনগণের জন্য নিজেদের দেশ পুনরুদ্ধারের সবচেয়ে বড় সুযোগ। আমরা শুনছি যে তাদের আইআরজিসি, সামরিক বাহিনী এবং অন্যান্য নিরাপত্তা ও পুলিশ বাহিনীর অনেকেই আর যুদ্ধ করতে চান না এবং আমাদের কাছ থেকে নিরাপত্তা (ইমিউনিটি) চাইছেন।’
তিনি যোগ করেন, ‘যেমন আমি গত রাতে বলেছি, “এখন তারা নিরাপত্তা পেতে পারে, পরে তারা শুধু মৃত্যুই পাবে!” আশা করা যায়, আইআরজিসি ও পুলিশ শান্তিপূর্ণভাবে ইরানি দেশপ্রেমিকদের সঙ্গে একীভূত হবে এবং একসঙ্গে কাজ করে দেশকে তার প্রাপ্য মহত্ত্বে ফিরিয়ে আনবে।
তবে ইরানি কর্মকর্তারা সর্বোচ্চ নেতার নিহত হওয়ার দাবি অস্বীকার করে একে ‘মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ’ অভিহিত করেন।