
খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের বাজাউরে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে রাতভর সীমান্ত সংঘর্ষের পর একটি ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির ভেতর দিয়ে দেখছে একটি ছেলে। ছবি: এএফপি
পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে প্রাণঘাতী সংঘর্ষের পর পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এ অবস্থায় উভয় পক্ষকে সংলাপে বসার আহ্বান জানিয়েছে ইরান ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে চলমান সংঘর্ষে ‘গভীর উদ্বেগ’ প্রকাশ করে অবিলম্বে সংলাপ শুরু করার আহ্বান জানিয়েছে।
ইইউ’র পররাষ্ট্রনীতি প্রধান কাজা কালাসও ‘তাৎক্ষণিক উত্তেজনা প্রশমন’ এবং শত্রুতা বন্ধের আহ্বান জানান। তিনি সতর্ক করে বলেন, এই লড়াই বৃহত্তর আঞ্চলিক স্থিতিশীলতায় প্রভাব ফেলতে পারে। খবর আল জাজিরার।
এদিকে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল ও সীমান্তবর্তী অঞ্চলের বাসিন্দারা পাকিস্তান বিমানবাহিনীর হামলার পর আতঙ্ক ও হতাহতের কথা জানিয়েছেন। স্থানীয় সূত্রগুলো বলছে, হামলার পর বহু মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যায় এবং কয়েকজন আহত হয়েছেন।
পাকিস্তান জানিয়েছে, তারা তালেবান যোদ্ধাদের লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাওয়াজা আসিফ বলেছেন, সীমান্তপারের হামলা নিয়ে পাকিস্তানের ‘ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেছে’।
ইসলামাবাদ দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে, আফগান ভূখণ্ড ব্যবহার করে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো পাকিস্তানে হামলা চালাচ্ছে। তবে আফগান তালেবান সরকার এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, ‘পাকিস্তান খুব ভালো করছে’ এবং তিনি দেশটির নেতৃত্বের সঙ্গে ‘খুব ভালো সম্পর্ক’ বজায় রাখেন।
বিশ্লেষকদের মতে, সীমান্তে উত্তেজনা বাড়তে থাকলে তা দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।