News update
  • Rivers Must Remain Alive Until They Meet Seas – Basin Summit     |     
  • Monsoon Sets In Bangladesh With Erratic Signals     |     
  • Freeing Bourses From Evil Grips of Cronies And Oligarchs      |     
  • Uneasy Calm In BD Political Arena Over Amendment Or Reform     |     
  • UN experts for urgest action to support Rohingya Refugees in BD     |     

ট্রাম্পের বিতর্কিত অভিবাসন নীতি বাতিল করল মার্কিন আদালত

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক সংঘাত 2026-06-06, 11:26am

tytuytutyiyu-fb07d97f37d6e9d0cc2fbe32303ce44b1780723610.jpg




মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের বেশ কয়েকটি অভিবাসন নীতি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের একটি আদালত। এর ফলে সেসব নীতির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ৩৯টি দেশের অভিবাসীর রাজনৈতিক আশ্রয়, গ্রিন কার্ড এবং বৈধ অভিবাসনের অন্যান্য সুবিধা পাওয়ার পথ সুগম হলো। খবর রয়টার্সের। 

শুক্রবার (৫ জুন) যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সেবা সংস্থার (ইউএসসিআইএস) গৃহীত একগুচ্ছ নীতি বাতিল করেন রোড আইল্যান্ডের মার্কিন ফেডারেল বিচারক জন ম্যাককনেল। তার মতে, এসব নীতির কারণে আফ্রিকা, এশিয়া, লাতিন আমেরিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের কয়েক ডজন দেশের মানুষ চরম ‘আইনি অনিশ্চয়তার’ মধ্যে পড়ে গিয়েছিলেন।

বিচারক জন ম্যাককনেল বলেন, সংশ্লিষ্ট অভিবাসীরা কংগ্রেস প্রণীত আইন এবং ইউএসসিআইএস-এর বিধিমালা অনুযায়ী সব আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করেছিলেন। তবুও তারা মাসের পর মাস অপেক্ষা করতে বাধ্য হয়েছেন, কারণ ইউএসসিআইএস তাদের আবেদনগুলোর বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। 

রায়ে বিচারক আরও বলেন, ‘ইউএসসিআইএস-এর বিচারিক প্রক্রিয়া স্থগিত রাখার জন্য এসব ব্যক্তির কোনো ভুল দায়ী নয়, এটি কেবল তাদের জন্মস্থানের কারণে ঘটেছে।’

এই রায়কে অভিবাসী সেবামূলক সংগঠন ও শ্রমিক ইউনিয়নগুলোর জন্য একটি বড় বিজয় হিসেবে দেখা হচ্ছে। তারা গত মার্চে ইউএসসিআইএস-এর এসব বিতর্কিত নীতির বিরুদ্ধে মামলা করেছিল।

নভেম্বর মাসে ওয়াশিংটন ডিসিতে দায়িত্বরত দুই ন্যাশনাল গার্ড সদস্যকে লক্ষ্য করে গুলির ঘটনার পর ট্রাম্প প্রশাসন অভিবাসনবিরোধী অভিযান জোরদার করে। প্রসিকিউটরদের দাবি, এক আফগান অভিবাসী ওই হামলা চালিয়েছিলেন। সেই অভিযানের অংশ হিসেবেই ইউএসসিআইএস এসব কড়াকড়ি নীতি গ্রহণ করে। ঘটনার পর ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘোষণা দিয়েছিলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সিস্টেম পুরোপুরি পুনরুদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত তৃতীয় বিশ্বের সব দেশ থেকে অভিবাসন স্থায়ীভাবে স্থগিত’ করা হবে। একই সঙ্গে তার প্রশাসন পূর্ণ বা আংশিক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা দেশের সংখ্যা বাড়িয়ে ৩৯-এ উন্নীত করে।

পূর্ণ ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা দেশগুলোর মধ্যে ছিল আফগানিস্তান, ইরান, হাইতি, সোমালিয়া, ভেনেজুয়েলা এবং সিরিয়া। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি ছিল, নিরাপত্তা যাচাই ও সুরক্ষাজনিত কারণে এসব ভ্রমণ-নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

ইউএসসিআইএস-এর গৃহীত নীতিগুলোর ফলে ৩৯টি দেশের নাগরিকদের অভিবাসনসংক্রান্ত আবেদন প্রক্রিয়াকরণ স্থগিত হয়ে যায়। বিচারক ম্যাককনেলের ভাষায়, এর ফলে ‘অগণিত মানুষের জীবন তিনি তার রায়ে আরও বলেন, ‘ আইনের শাসন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। ইউএসসিআইএস যে আইন অনুসরণ করেনি এবং সঠিকভাবে কাজও করেনি, তা স্পষ্ট। বরং সংস্থাটি অভিবাসন আইন এবং সংস্থার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নির্ধারিত প্রশাসনিক আইন লঙ্ঘন করেছে।’