News update
  • After the blaze, Kalshi slum dwellers see what little remains     |     
  • Dhaka, 5 other divisions to see heavy rainfall in 24 hours     |     
  • Over 1.6 Million Pilgrims Gather at Sacred Arafat     |     
  • Mayoral candidates' Eid greetings to Kalapara residents on social media      |     
  • Dhaka moves for new $4-4.5 bn IMF programs, drops current one     |     

ক্যালিফোর্নিয়ায় দাবানলে ৭২ হাজার একর বনভূমি পুড়ে ছাই

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক বিপর্যয় 2025-08-06, 8:17am

88630602c75e4ebfd5c7e79679ab81bc18b07a65dfa749ea-aefd6658863eb0d8952a138b11c33e7b1754446642.jpg




যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যে ভয়াবহ দাবানলে পুড়ছে লস পাদ্রেস ন্যাশনাল ফরেস্ট। এরই মধ্যে ৭২ হাজার একরের বেশি বনভূমি পুড়ে গেছে। হুমকির মুখে রয়েছে সাড়ে চার শতাধিক ঘরবাড়ি। এদিকে শুষ্ক আবহাওয়া, উচ্চ তাপমাত্রা ও তীব্র বাতাসে আগুন নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছে দমকল বাহিনী।

স্থানীয় সময় সোমবার (৪ আগস্ট) যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা বারবারা ও সান লুইস ওবিসপো কাউন্টির লস পাদ্রেস ন্যাশনাল ফরেস্টের বিস্তীর্ণ এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে ভয়াবহ দাবানল। 

সান্তা মারিয়া ও বেকারসফিল্ডের মাঝ দিয়ে যাওয়া হাইওয়ে ১৬৬ বরাবর কয়েকটি ছোট আগুনের সূত্র ধরে গড়ে ওঠে বিশাল গিফোর্ড ফায়ার। সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত এই দাবানল গ্রাস করেছে ৭২ হাজার একরের বেশি বনাঞ্চল।

আগুন নিয়ন্ত্রণে মাঠে নামানো হয়েছে ১ হাজারের বেশি দমকল কর্মী। মোতায়েন করা হয়েছে বিমান। ব্যবহার করা হচ্ছে ইনফ্রারেড প্রযুক্তিও। 

নানামুখী তৎপরতা চালালেও ৫ দিনে মাত্র ৫ শতাংশের কিছু বেশি আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয় দমকলকর্মীরা। একদিকে উচ্চ তাপমাত্রা অন্যদিকে তীব্র বেগে বয়ে চলা উত্তপ্ত ঝড়ো হাওয়ায় আগুন নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের।

স্থানীয় দমকল বিভাগ জানিয়েছে ভয়াবহ এই দাবানলে এখন পর্যন্ত সাড়ে চারশ'র বেশি ঘরবাড়ি, খামার ও স্থাপনা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এরইমধ্যে বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। অঞ্চলজুড়ে জারি করা হয়েছে জরুরি সতর্কতা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, তীব্র খরা ও অনাবৃষ্টিতে বনাঞ্চল শুষ্ক হওয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে দাবানল। আবহাওয়ার পূর্বাভাস বলছে, সপ্তাহজুড়ে উচ্চ তাপমাত্রা বজায় থাকবে। এমনকি ১০০ ডিগ্রি ফারেনহাইটও ছাড়াতে পারে তাপমাত্রা। আর তাতেই পরিস্থিতি আরও গুরুতর হওয়ার শঙ্কা বিশেষজ্ঞদের।