News update
  • Zaima Rahman calls for common platform to build inclusive BD     |     
  • Uprising’s expectations failed to be met in last 18 months: TIB     |     
  • World Bank to Provide $150.75m for Bangladesh RAISE Project     |     
  • Press Secretary Alleges Indian Media, AL Spread Disinformation     |     
  • Hasina Gets 10 Years in Purbachal Plot Corruption Cases     |     

কর্মবিরতিতে অচল চট্টগ্রাম বন্দর

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক বানিজ্য 2026-02-03, 2:22pm

cttttgraam_bndr-0eb8b52f7a68a2e78c412923adc445051770106940.jpg




চট্টগ্রাম বন্দরে নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল-এনসিটি পরিচালনায় বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তি বাতিলের দাবিতে আজ মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) থেকে ২৪ ঘণ্টার কর্মবিরতি শুরু হয়েছে। এর আগে শনিবার থেকে গত তিন দিন ২৪ ঘণ্টার কর্মবিরতি পালন করেন শ্রমিক-কর্মচারীরা। এখন পর্যন্ত সরকার দাবি মেনে না নেওয়ায় নতুন করে আজ মঙ্গলবার থেকে ২৪ ঘণ্টার কর্মবিরতি শুরু করেছেন তারা। শ্রমিকদের কর্মবিরতির কারণে অচল হয়ে পড়েছে বন্দরে পণ্য আমদানি-রপ্তানি।

এর আগে সকালে বন্দর শ্রমিকদের আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করে অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হয় আগ্রাবাদে। এসময় বিক্ষোভ মিছিল করে শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদ। সংক্ষিপ্ত সভা শেষে মিছিলটি বন্দর অভিমুখে যাত্রা করলে পুলিশ বাধা দেয়।

শ্রমিকদের কর্মবিরতির কারণে বন্দরের বিভিন্ন জেটিতে জাহাজ থেকে পণ্য ওঠানামার সব ধরনের অপারেশনাল কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। ২৪ ঘণ্টার কর্মবিরতির শুরুর পর থেকে সর্বাত্মক কর্মসূচিতে পুরোটাই অচল হয়ে পড়েছে বন্দরের কার্যক্রম।

বন্দর রক্ষা সংগ্রাম কমিটির সমন্বয়ক মো. ইব্রাহিম খোকন জানান, এনসিটি পরিচালনায় বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তি বাতিলের দাবিতে এবং আন্দোলনে থাকা ১৫ জন কর্মকর্তা-কর্মচারিকে বদলির আদেশ বাতিলের দাবিতে কর্মসূচি ৮ ঘণ্টা থেকে ২৪ ঘণ্টা পালন করছে।

স্কপের যুগ্ম সম্পাদক ইফতেখার কামাল জানান, কর্মবিরতির কারণে ইতোমধ্যে বন্দরের জেনারেল কার্গো বার্থ, টার্মিনাল, সিসিটি, এনসিটি, কন্টেইনার ও কার্গো হ্যান্ডলিংয়ের কাজ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে আছে। সরকার কোনরকম আলোচনা ছাড়াই চুক্তি করছে বিদেশিদের সঙ্গে।

বিজিএমইএ সহ সভাপতি সেলিমুর রহমান জানান, বন্দরের অভ্যন্তরে কন্টেইনারবাহী যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। পণ্য ওঠানামা বন্ধ থাকায় টার্মিনালের জেটিতে জাহাজে পণ্য ওঠানামার জন্য চারদিন ধরে অপেক্ষায় থাকায় ক্ষতির শিকার হচ্ছে আমদানি-রপ্তানিকারকরা। একইভাবে রপ্তানি শিডিউল ক্ষতির মুখে পড়ছে।

চট্টগ্রাম বন্দর সিবিএ নেতা ইব্রাহিম খোকন জানান, শান্তিপূর্ণভাবে আমাদের কর্মসূচি চলছে। চট্টগ্রাম বন্দরের লাভজনক টার্মিনাল এনসিটিকে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হাতে আমরা তুলে দেব না।

এনসিটি ষড়যন্ত্রমূলকভাবে বিদেশি অপারেটরকে ইজারা দেওয়া হচ্ছে এমন অভিযোগ করে বন্দর চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রত্যাহারের দাবি জানান আন্দোলনরত শ্রমিকরা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বন্দরের এক কর্মকর্তা জানান, সকালে কিছু সময় চট্টগ্রাম কনটেইনার টার্মিনাল (সিসিটি) ও এনসিটি টার্মিনালের জেটিগুলোতে পণ্য ওঠানামার কাজ চলছিল। তবে সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটের দিকে আন্দোলনকারীরা বিক্ষোভ শুরু করলে এসব কার্যক্রমও বন্ধ হয়ে যায়। কনটেইনার চলাচল নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত কম্পিউটারাইজড টার্মিনাল অপারেটিং সিস্টেম (টিওএস) পরিচালনায় দায়িত্বপ্রাপ্ত বন্দর কর্মচারীরা কাজ বন্ধ রাখায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

উল্লেখ্য, সিসিটি ও এনসিটি টার্মিনাল বর্তমানে চট্টগ্রাম ড্রাই ডক লিমিটেড (সিডিডিএল) পরিচালনা করছে। ধর্মঘটের কারণে বন্দরের ইয়ার্ড থেকে আমদানি করা পণ্য ও কনটেইনার সরবরাহ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রয়েছে।