News update
  • OPEC faces mounting pressure as officials meet in Vienna     |     
  • Locked in poverty and riverbank erosion: The reality of Kurigram     |     
  • DC conference 2026: 498 proposals set for policy review     |     
  • Govt moves to amend Const; opposition wants reform     |     
  • Govt Proposes 17-Member Panel for Constitution Reform     |     

বাজারে কমেছে লেবু-শসা-বেগুনসহ নিত্যপণ্যের দাম

খাদ্য 2026-02-27, 5:57pm

rerewwe-6bb36cf21971c6fbb021122e4ae9935f1772193478.jpg




পবিত্র রমজান মাসের শুরুতেই নিত্যপণ্যের বাজারে যে অস্থিরতা এবং দামের উত্তাপ দেখা দিয়েছিল, তা এখন অনেকটাই স্তিমিত হয়ে এসেছে। রোজার প্রথম সপ্তাহের সেই আকাশছোঁয়া দাম এখন নিম্নমুখী। বিশেষ করে ইফতার সামগ্রী তৈরির প্রধান উপকরণ লেবু, শসা ও বেগুনের দাম কমেছে উল্লেখযোগ্য হারে। পাশাপাশি আলু ও পেঁয়াজের বাজারেও বড় ধরনের দরপতন লক্ষ্য করা গেছে।

শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ সবজি ও নিত্যপণ্যের দাম সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত কমেছে।

রাজধানীর কারওয়ান বাজার, রামপুরা ও মালিবাগ বাজার ঘুরে দেখা যায়, এখন আলুর কেজি ১৫ থেকে ২০ টাকা এবং পেঁয়াজ ৪০ থেকে ৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহের তুলনায় প্রায় ২০ টাকা কম।

ইফতারের অন্যতম অনুষঙ্গ লেবুর বাজারে যেন আগুন নিভেছে। রোজার শুরুতে যে লেবু হালিপ্রতি ১০০ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল, বর্তমানে সেই লেবু মিলছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়। একইভাবে শসা ও বেগুনের দাম কেজিপ্রতি ৩০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। বর্তমানে বাজারে ভালোমানের শসা ৪০ থেকে ৫০ টাকায় এবং বেগুন ৬০ থেকে ৮০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। কাঁচা মরিচের দামও এখন ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে; খুচরা বাজারে প্রতি কেজি মরিচ ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা কয়েক দিন আগেও ২০০ টাকা ছাড়িয়ে গিয়েছিল।

মুদি বাজারের চিত্রও এখন অনেকটাই শান্ত। রোজার শুরুতে ছোলার দাম বাড়তি থাকলেও বর্তমানে তা ৮০ থেকে ১০০ টাকায় নেমে এসেছে। খোলা পাম তেলের দাম লিটারে ৫ টাকা কমেছে। যদিও চিনি ও সয়াবিন তেলের দাম এখনো অপরিবর্তিত রয়েছে, তবে বাজারে সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকায় নতুন করে দাম বাড়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। 

ব্রয়লার মুরগির বাজারেও দেখা গেছে বড় পতন। গত সপ্তাহের ১৯০-২০০ টাকার মুরগি এখন ১৬৫ থেকে ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।  একইভাবে দর কমেছে সোনালি জাতের মুরগির। এ জাতের মুরগি কিনতে ক্রেতাকে কেজিতে গুনতে হবে ৩০০ টাকা; যা সপ্তাহ আগে ছিল ৩২০  টাকা। এ ছাড়া গরুর মাংসের কেজি পাওয়া যাচ্ছে ৮০০ টাকায়। যা গত সপ্তাহের তুলনায় অপরিবর্তিত রয়েছে। এছাড়া ডিমের ডজনও এখন ১১০ থেকে ১১৫ টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ। 

অন্যদিকে মাছের বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি পাঙ্গাস ২০০ টাকা থেকে ২২০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০ টাকা, রুই ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, মৃগেল ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা, দেশি টেংরা ৪৫০ টাকা, বেলে ২৫০ টাকা,  বাইন ৬০০ টাকা, চিংড়ি ৯০০ টাকা, পাবদা ৪০০, কই ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, শিং ৪০০শ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা, সইল ৭০০ টাকা, টাকি ৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আকার ও জাতভেদে প্রতি কেজিতে খরচ করতে হচ্ছে ৫৫০ থেকে ৯০০ টাকা।