News update
  • BIP calls for shift to public transport to ensure energy security     |     
  • Commercial flights resume at Tehran airport after two months     |     
  • 11 more children die of measles, similar symptoms in 24 hrs: DGHS     |     
  • 1,000 runners join ‘Beautiful BD Run Season-2’ at Hathirjheel     |     
  • Revenue Collection Faces Tk98,000 Crore Shortfall     |     

ঢাকায় ভারতের পরবর্তী হাইকমিশনার হিসেবে আলোচনায় থাকা কে এই আরিফ মোহাম্মদ?

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক খবর 2026-04-08, 4:07pm

ertewrwerew-06a3addd274b90973a0e0b87d0e8b8e01775642877.jpg




ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের বর্তমান হাই কমিশনার প্রণয় ভার্মার স্থলাভিষিক্ত কে হতে যাচ্ছেন, এ নিয়ে কূটনৈতিক পাড়ায় শুরু হয়েছে জোর গুঞ্জন।

ভারতের গণমাধ্যমগুলোর দাবি, এবার কোনো পেশাদার কূটনীতিক নয়, বরং একজন অভিজ্ঞ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে বাংলাদেশে প্রতিনিধি হিসেবে পাঠাতে পারে দিল্লি। এই দৌড়ে সবচেয়ে আলোচিত নাম বিহারের সদ্য সাবেক রাজ্যপাল আরিফ মোহাম্মদ খান। সম্ভাব্য এই নিয়োগ নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ঘোষণা আসেনি। 

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস নাউ ও ইন্ডিয়ান মান্দারিনস-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রণয় ভার্মাকে বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে পাঠানো হতে পারে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির পরে সেখানকার দায়িত্ব ভারতের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

ভারতীয় রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি আরিফ মোহাম্মদ খান। রাজনীতিতে প্রবেশ করেন ছাত্র থাকাকালীন। কংগ্রেসসহ একাধিক সরকারের মন্ত্রী হয়েছেন। তিনি নব্বই দশকের আগে কেন্দ্রীয় বেসামরিক বিমান পরিবহনমন্ত্রী ছিলেন। সবশেষ যোগ দিয়েছেন বিজেপিতে। ২০২৫ থেকে ২৬ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেছেন বিহারের গভর্নর হিসেবে। 

আরিফ খান এর আগে ২০১৯ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত কেরালার রাজ্যপাল ছিলেন। তিনি ১৯৫১ সালের ১৮ নভেম্বর বুলন্দশহরে জন্মগ্রহণ করেন। দিল্লির জামিয়া মিলিয়া স্কুল, আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় এবং লখনৌ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিয়া কলেজে পড়াশোনা করেন আরিফ খান। বন্দনাগীতি ‘বন্দে মাতরম’ উর্দুতে অনুবাদ করেছিলেন তিনি। ভারতে মুসলিমদের মধ্যে সবসময় সংস্কারের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন আরিফ মোহাম্মদ খান। তার মত ব্যক্তি বাংলাদেশে হাইকমিশনার হয়ে এলে তার পদমর্যাদা কী হবে? গুরুত্বপূর্ণ এ রাজনীতিবিদকে কেন বাংলাদেশে হাইকমিশনার করে পাঠানো হচ্ছে? এমন সব প্রশ্ন এখন ভারতের গণমাধ্যমে।