News update
  • Trump says no longer sending Witkoff and Kushner to Pak for Iran talks     |     
  • Iran FM Leaves Pakistan Before US Delegation Arrives     |     
  • BIP calls for shift to public transport to ensure energy security     |     
  • Commercial flights resume at Tehran airport after two months     |     
  • 11 more children die of measles, similar symptoms in 24 hrs: DGHS     |     

৬ রোগের টিকার সংকটে বাংলাদেশ, যে আশঙ্কায় বিশেষজ্ঞরা

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক রোগবালাই 2026-04-26, 6:16am

7d47015fc57618512b6158e1736901371eb137e9a7824cd0-6fbe8044e617e89dea63f45fe8eaf66e1777162588.jpg




অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার লক্ষ্যে পর্যটকদের জন্য বছরে তিন মাস সেন্টমার্টিন দ্বীপ খোলা রাখা নিয়ে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্তই বহাল রাখতে যাচ্ছে বর্তমান সরকার।

সম্প্রতি আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম ডয়চে ভেলেকে দেয়া লিখিত বক্তব্যে এ তথ্য জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে নেয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বছরে ৯ মাস সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। ২০২৪ সালের অক্টোবরে অন্তর্বর্তী সরকার সেখানে গমনাগমনে কড়াকড়ি আরোপ করে। বছরে তিন মাস পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয় দ্বীপটি। প্রতিদিন অনধিক দুই হাজার পর্যটককে নভেম্বর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত সেন্টমার্টিন ভ্রমণের অনুমতি দেয়া হয়। আর এই তিন মাসে পর্যটনের ফলে সেন্টমার্টিন দ্বীপের পরিবেশ, প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য যে ক্ষতির সম্মুখীন হয় তা পুনরুদ্ধারের জন্য ফেব্রুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ৯ মাস দ্বীপে পর্যটন বন্ধ রাখা হয়।  

মন্ত্রী বলেন, ‘সরেজমিনে বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণা করে দেখা গেছে ৯ মাস পর্যটক যাতায়াত বন্ধ রাখার কারণে সেন্টমার্টিন দ্বীপের পরিবেশ, প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের অবস্থার উন্নয়ন ঘটেছে। দীর্ঘ প্রায় সাত বছর ধরে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সঙ্গে আলোচনা ও পরামর্শের ধারাবাহিকতায় সরকার ২০২৪ সালে সেন্ট মার্টিন দ্বীপের পর্যটন নিয়ন্ত্রণের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিল।’

এই সিদ্ধান্তের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখা প্রয়োজন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘তিন মাসের অধিক সময় পর্যটন চালু থাকলে সেন্টমার্টিন দ্বীপের অস্তিত্ব বিপন্ন হবে। সুতরাং উন্মুক্ত সাগরের বুকে বাংলাদেশের একমাত্র কোরাল বা প্রবাল সংশ্লিষ্ট স্থান এবং বাংলাদেশের প্রাকৃতিক ঐতিহ্য এবং সেন্টমার্টিন দ্বীপের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার লক্ষ্যে পর্যটন নিয়ন্ত্রণের এই ব্যবস্থা আমাদের চালু রাখতে হবে।’