
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) মধ্যকার বৈষম্য দূর করা হবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, কয়েকজন বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিকে বিএসইসির দায়িত্বে দিয়েছি। তাদের সঠিক পরামর্শের ভিত্তিতে শুধু ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জই নয়, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জও শক্তিশালী হবে।
বুধবার (৮ জুলাই) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের ২১তম দিনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ তথ্য জানিয়েছে।
দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সময়ে চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী ঘোষণার পরপরই চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ খোলা হয়েছিল। কিন্তু এখন চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ ও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ মধ্যে বিরাট বৈষম্য রয়েছে, এ বৈষম্য দূর না হওয়ার কারণে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ আস্তে আস্তে স্থবির হয়ে যাচ্ছে। পুঁজিবাজারের এই দুই স্টকের বৈষম্য অচিরেই দূর করা হবে কি না চট্টগ্রাম ১৩ এর আসনের সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজামের এমন এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, এই সরকারের অন্যতম একটি মূল লক্ষ্যই হচ্ছে- সমাজের বা দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন ক্ষেত্রে যেখানে যেখানে বৈষম্য আছে, যার জন্য মানুষ বিভিন্নভাবে বঞ্চিত হচ্ছে, সেসব বৈষম্যকে দূর করা। পুঁজিবাজারের ক্ষেত্রেও এ বিষয়টি প্রযোজ্য।
এর আগে মূল প্রশ্নের উত্তরে আমি বলেছিলাম, পুঁজিবাজার বিষয়ে আমরা কয়েকজন বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিকে বিএসইসির দায়িত্বে দিয়েছি। অবশ্যই আমরা আশা করি, তারা আমাদেরকে সঠিক পরামর্শ দেবেন, যার ভিত্তিতে শুধু ঢাকা নয় চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জকেও আমরা ইনশাল্লাহ, শক্তিশালী স্টক এক্সচেঞ্জে রুপান্তর করতে পারবো।