
দ্বিতীয় ধাপে আজ আরও ১৭১ জন ক্রীড়াবিদকে ভাতার আওতায় এনেছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অডিটরিয়ামে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক ক্রীড়াবিদদের হাতে ভাতা কার্ড তুলে দেন। শতাধিক ক্রীড়াবিদের মধ্যে জাতীয় নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক আফিদা খন্দকার প্রথমে অনুভূতি প্রকাশের সুযোগ পান।
নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক প্রধানমন্ত্রী ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মহোদয়কে ক্রীড়াবিদদের জন্য এমন উদ্যোগ নেওয়ায় ধন্যবাদ। এটি আমাদের ফুটবলারসহ সব খেলোয়াড়ের জন্যই অনেক উপকারে আসবে।
আজ ১৮ জন নারী ফুটবলার ক্রীড়া ভাতার আওতায় এসেছেন। অধিনায়ক এই সংখ্যা সামনে আরও বাড়ানোর দাবি জানিয়ে বলেন, আমাদের নারী ফুটবলে আরও অনেকে রয়েছেন। তাই ভবিষ্যতে সংখ্যাটি আরও বাড়ানোর অনুরোধ করছি ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মহোদয়ের কাছে। পাশাপাশি আমাদের জন্য একটি ভালো ফুটবল মাঠের ব্যবস্থারও অনুরোধ করছি।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ক্রীড়াপ্রেমী। তার একমাত্র কন্যা জাইমা রহমানও ফুটবল ভালোবাসেন। তাই ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের মাধ্যমে তাদের বাফুফে ভবনে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন আফিদা খন্দকার। তিনি বলেন, আপনার মাধ্যমে জেনেছি, জাইমা রহমান একজন ফুটবলপ্রেমী। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জাইমা রহমানকে বাফুফেতে আমন্ত্রণ জানাই।
ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় সিফাত উল্লাহ বলেন, ব্যাডমিন্টন খেলে কী পাই বা কী করব—এমন অনেক প্রশ্নই আগে শুনতে হতো। এখন এই ভাতা পাওয়ার পর ব্যাডমিন্টনে অনেকেই আগ্রহী হবে এবং ‘কী পাই বা কী করব’—এই প্রশ্নেরও উত্তর দেওয়া যাবে।