News update
  • Japan views Bangladesh as key dev partner: Jamaat Ameer     |     
  • Credit cards emerge as a financial lifeline for middle-class     |     
  • Call for a radical shift to solar, LNG to overcome energy crisis     |     
  • Measles Death Toll in Children Surpasses 350     |     
  • Global Eid on Same Day ‘Not Practical’: Mufti Malek     |     

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে বাড়ল তেলের দাম

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক জীবাশ্ম 2026-03-01, 9:29pm

fdsfsdfsdfewrew-a4875cf7b91938a9c6711e18fe8a89161772378957.jpg

তেল ট্যাংকারগুলো হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাচ্ছে। ফাইল ছবি



ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর মধ্যপ্রাচ্য এক ভয়াবহ যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে নজিরবিহীন অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। রোববার বাজার খোলার আগেই আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম ১০ শতাংশ বেড়ে ব্যারেল প্রতি প্রায় ৮০ ডলারে পৌঁছেছে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, এই সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে তেলের দাম খুব দ্রুত ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের। 

জ্বালানি গবেষণা সংস্থা আইসিআইএসের পরিচালক অজয় পারমার জানিয়েছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে তেলের দাম বাড়ার প্রধান কারণ হলো কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালি’ বন্ধ হয়ে যাওয়ার শঙ্কা। বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের ২০ শতাংশেরও বেশি এই সরু জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। ইরান এই পথ দিয়ে জাহাজ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারির পর অধিকাংশ বড় তেল কোম্পানি, ট্যাঙ্কার মালিক ও ট্রেডিং হাউজগুলো তাদের জ্বালানি ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) পরিবহণ স্থগিত করেছে।

সরবরাহে বড় ঘাটতির আশঙ্কা

রাইস্টাড এনার্জির অর্থনীতিবিদ জর্জ লিওনের মতে, সৌদি আরব ও আবুধাবির বিকল্প পাইপলাইন ব্যবহার করলেও হরমোজ প্রণালী বন্ধ থাকলে বাজারে প্রতিদিন ৮০ থেকে ১০০ লাখ ব্যারেল তেলের ঘাটতি দেখা দেবে। এই বিশাল শূন্যতা পূরণ করা প্রায় অসম্ভব। ফলে বাজার খোলার সঙ্গে সঙ্গেই তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ২০ ডলার বেড়ে ৯২ ডলারে পৌঁছাতে পারে বলে মনে করছে রাইস্টাড।

ওপেক প্লাস ও আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ওপেক প্লাস ভুক্ত দেশগুলো এক জরুরি বৈঠকে বসেছে। তারা আগামী এপ্রিল থেকে প্রতিদিন ২ লাখ ৬ হাজার ব্যারেল অতিরিক্ত তেল উৎপাদনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বৈশ্বিক চাহিদার তুলনায় এই সামান্য বৃদ্ধি ( শূন্য দশমিক ২ শতাংশেরও কম) বাজার নিয়ন্ত্রণে খুব একটা কার্যকর হবে না। বার্কলেস ও আরবিসির মতো আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোও পূর্বাভাস দিয়েছে, তেলের দাম ১০০ ডলার স্পর্শ করা এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।

এশিয়ার দেশগুলোতে সতর্কতা

ইরান সংকটের ফলে এশিয়ার দেশগুলো ও রিফাইনারিগুলো তাদের তেলের মজুত পরীক্ষা শুরু করেছে। বিকল্প শিপিং রুট ও বিকল্প উৎস থেকে তেল সংগ্রহের জন্য জরুরি মূল্যায়ন চালাচ্ছে এশিয়া। জ্বালানির এই আকাশচুম্বী দাম বিশ্বজুড়ে নতুন করে মূল্যস্ফীতির চাপ তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।