
Order to file a case against the accused teacher
পটুয়াখালী: পটুয়াখালীর কলাপাড়া সরকারি মোজাহার উদ্দিন বিশ্বাস কলেজের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষক মো. মোস্তাবিজুর রহমান কে হত্যা চেষ্টায় তাকে মারধর করে রক্তাক্ত জখম করার অভিযোগে একই বিভাগের শিক্ষক মো. নাজমুল আলম বাদল মাতুব্বরের (৫০) বিরুদ্ধে এজার গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
আজ বুধবার দুপুরে কলাপাড়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. রাব্বি ইসলাম রনির আদালত ভিকটিম শিক্ষক মো. মোস্তাফিজুর রহমানের মেয়ে নিশাত তানজুম আশা'র জবানবন্দী ও নালিশি মামলা আমলে নিয়ে ওসি, কলাপাড়া থানাকে মেডিকেল সংগ্রহপূর্বক এজাহার গ্রহণের এ আদেশ প্রদান করেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারি মো. কাইয়ুম ও বাদী পক্ষের নিযুক্তীর কৌশুলী অ্যাডভোকেট কাওসার এ আদেশের সত্যতা স্বীকার করেন।
সূত্র জানায়, এর আগে মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে বারোটার দিকে কলাপাড়া সরকারি মোজাহার উদ্দিন বিশ্বাস কলেজের লাইব্রেরী কক্ষে ইতিহাস বিভাগের শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমানকে হত্যা চেষ্টায় তাঁর মাথায় চেয়ার দিয়ে আঘাত করেন অভিযুক্ত শিক্ষক বাদল মাতুব্বর। এসময় তিঁনি আত্মরক্ষার জন্য বাম হাত দিয়ে প্রতিহত করায় চেয়ার ভেঙে তাঁর বাম হাতের কব্জির নিচের অংশ কেটে যায়। ঘটনার পর ভিকটিম শিক্ষক মোস্তাফিজকে চিকিৎসার জন্য কলাপাড়া হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন, এ তথ্য মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলায় আরও বলা হয়, অনিবন্ধিত ও নন এমপিও অভিযুক্ত শিক্ষক বাদল মাতুব্বর তাঁকে ৫ লক্ষ টাকা না দিয়ে ভিকটিম শিক্ষক মোস্তাফিজকে কলেজে আসতে বাঁধা নিষেধ করতেন। দাবীকৃত টাকা না পেয়ে এর আগেও শিক্ষক মোস্তাফিজকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন বাদল ।
এ বিষয়ে শিক্ষক বাদল মাতুব্বরের বক্তব্য জানতে তাঁর সাথে যোগাযোগ করলে তিঁনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, এটি তাঁর বিরুদ্ধে একটি ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা। যা তদন্তে প্রমান হয়ে যাবে।
কলাপাড়া সরকারি মোজাহার উদ্দিন বিশ্বাস কলেজের অধ্যক্ষ ড. ফাতেমা হেরেন বলেন, শিক্ষকের এ ঘটনায় সেঁ বিস্মিত। চাকুরী জীবনে এ রকম পরিস্থিতিতে কখনও পড়েননি।
কলাপাড়া থানার ওসি মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ঘটনার পর কলেজ থেকে এ ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। আদালতের আদেশ হাতে পেয়ে পরবর্তী আইনানুগ পদক্ষেপ নেয়া হবে। - গোফরান পলাশ