News update
  • Thousands of tourists flock to Kuakata during Eid festival     |     
  • 45th anniversary Ziaur Rahman's death Saturday     |     
  • India’s Muslims denied public spaces for Eid prayers     |     
  • China steps up efforts to protect rare golden monkeys at world heritage site     |     
  • Russia urges US, Iran to avoid return to war amid nuclear tensions     |     

গাজার ৭০ শতাংশ দখলের নির্দেশ নেতানিয়াহুর

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক সংঘাত 2026-05-29, 10:41am

rtyrtyrutyu-fd9ab28d474f3b24efab7e3ab20588c41780029679.jpg




ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার আরও বড় অংশ দখলে নিতে ইসরায়েলি বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি বলেছেন, ধাপে ধাপে গাজার অন্তত ৭০ শতাংশ ভূখণ্ড নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে চায় ইসরায়েল।

অধিকৃত পশ্চিম তীরে এক সম্মেলনে বক্তব্য দিতে গিয়ে বৃহস্পতিবার (২৮ মে) নেতানিয়াহু বলেন, আমরা এখন গাজার ৬০ শতাংশ এলাকায় অবস্থান করছি। আগে ছিলাম ৫০ শতাংশে। এখন ৬০ শতাংশে পৌঁছেছি। আমার নির্দেশ হলো ধাপে ধাপে অন্তত ৭০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণে নেওয়া। খবর সিএনএনের। 

তার বক্তব্যের সময় উপস্থিত শ্রোতাদের একাংশ পুরো গাজা দখলের দাবিও তোলে।

এর আগে গত এপ্রিলের শেষ দিকে আন্তর্জাতিক ত্রাণ সংস্থাগুলোর কাছে দেওয়া ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর (আইডিএফ) মানচিত্রে দেখা যায়, গাজার প্রায় ৬৪ শতাংশ এলাকা তখনই ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে ছিল।

বিশ্লেষকদের মতে, গাজার আরও বড় অংশ দখল করা হলে প্রায় ২০ লাখ ফিলিস্তিনি আরও সংকুচিত ও ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া এলাকায় ঠেলে দেওয়া হবে।

২০২৫ সালের অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি অনুযায়ী, ইসরায়েলি বাহিনী ‘ইয়েলো লাইন’ নামে পরিচিত একটি সীমারেখা পর্যন্ত পিছু হটেছিল। তখন গাজার প্রায় ৫৩ শতাংশ এলাকা ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে ছিল।

তবে চলতি সপ্তাহে হামাস অভিযোগ করেছে, ইসরায়েল ওই সীমারেখা পরিবর্তন করছে। সংগঠনটির দাবি, এটি যুদ্ধবিরতি চুক্তির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন এবং গাজায় স্থায়ী সামরিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা।

যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও গাজায় ইসরায়েলি হামলা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। ইসরায়েল অভিযোগ করছে, হামাস নতুন করে অস্ত্র সংগ্রহ ও সামরিক শক্তি পুনর্গঠন করছে।

ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, যুদ্ধবিরতি শুরুর পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় গাজায় ৮৫০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।

সম্প্রতি হামাসের সামরিক শাখার নেতা ইজ্জ আল-দীন আল-হাদ্দাদকে হত্যা করে ইসরায়েল। এর ১১ দিন পর তার উত্তরসূরিও পৃথক হামলায় নিহত হন।

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলেন, ৭ অক্টোবরের হামলার সঙ্গে জড়িত সবাইকে নির্মূল করার অঙ্গীকার আমরা করেছি। তাদের সবার মৃত্যুদণ্ড নিশ্চিত।

অন্যদিকে, হামাস এখনও নিরস্ত্র হতে রাজি হয়নি বলে জানিয়েছেন যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়ন তদারককারী কর্মকর্তা নিকোলাই ম্লাদেনভ। তার মতে, গাজার ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে এই নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রিয়ার ওপর।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, হামাস অস্ত্র সমর্পণ করলে এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন হলে ইসরায়েল ধীরে ধীরে গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহার করবে। তবে এখন পর্যন্ত সেই বাহিনী মোতায়েনের কোনো নির্দিষ্ট সময়সূচি ঠিক হয়নি।

এদিকে যুদ্ধবিরতি অচলাবস্থায় থাকায় ইসরায়েল ধাপে ধাপে গাজার আরও এলাকা দখলে নিচ্ছে বলে পর্যবেক্ষকদের আশঙ্কা।