News update
  • PM Stresses Education, Health for Nation-Building     |     
  • Australia hold off Bangladesh fightback to seal T20I series     |     
  • Brahmaputra erosion leaves 30 families homeless in Kurigram char     |     
  • Held 30 years after murder: Prime accused in Netrokona jail     |     
  • Govt approves draft of Gambling Prevention Act, 2026     |     

শহীদ মিনারে জামায়াত আমিরকে দেখে ‘একাত্তরের দালাল’ স্লোগান

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক রাজনীতি 2026-02-21, 10:46am

img_20260221_104352-4548f115d84d4b3660203d5b16ee3af41771649206.jpg

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। ছবি সংগৃহীত



অমর একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এসে বিক্ষোভ ও উত্তপ্ত পরিস্থিতির মুখে পড়েছিলেন জামায়াতে ইসলামীর আমির এবং জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। 

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে দলীয় নেতাদের নিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে বের হয়ে যাওয়ার সময় তাকে লক্ষ্য করে ‘একাত্তরের দালালরা, হুঁশিয়ার সাবধান’ স্লোগান দিতে শুরু করে সেখানে উপস্থিত একদল মানুষ। এই আকস্মিক স্লোগানে শহীদ মিনার এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরাও পাল্টা স্লোগান দিতে শুরু করলে পুরো এলাকায় এক থমথমে অবস্থার সৃষ্টি হয়। 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ডা. শফিকুর রহমান যখন শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে মঞ্চের পেছন দিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছিলেন, ঠিক তখনই একদল বিক্ষোভকারী তার পথ রোধ করার চেষ্টা করে এবং একাত্তরের ভূমিকার কথা মনে করিয়ে দিয়ে তীব্র ভাষায় স্লোগান দিতে থাকে। 

এর প্রতিক্রিয়ায় জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা তাৎক্ষণিকভাবে ‘ভাষা সৈনিক গোলাম আযম, লও লও লও সালাম’ স্লোগান দিয়ে পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। দুই পক্ষের এই পাল্টাপাল্টি স্লোগানে শহীদ মিনারের পবিত্রতা ও ভাবগাম্ভীর্য বিঘ্নিত হওয়ার উপক্রম হলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দ্রুত হস্তক্ষপ করেন। উত্তেজনা বাড়তে থাকায় জামায়াত আমিরকে তার সফরসঙ্গী ও নিরাপত্তা কর্মীদের বেষ্টনীতে দ্রুত স্থান ত্যাগ করতে দেখা যায়।

এর আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক প্রথা ভেঙে কেন এবার শহীদ মিনারে এসেছেন, এমন প্রশ্নের জবাবে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে আমি এখানে এসেছি।” তবে জামায়াতে ইসলামী এখনো শহীদ মিনারে ফুল দেওয়াকে ইসলামি শরিয়তে ‘নাজায়েজ’ মনে করে কি না, এমন বিতর্কিত প্রশ্ন তিনি এড়িয়ে যান। 

তিনি বলেন, ১৯৫২ সালের ভাষা শহীদ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো তাদের নৈতিক দায়িত্ব। একটি দুর্নীতিমুক্ত ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার জন্য জুলাই বিপ্লবের চেতনাকে ধারণ করে তাদের লড়াই অব্যাহত থাকবে বলে তিনি ঘোষণা দেন।

শহীদ মিনার থেকে ফিরে ডা. শফিকুর রহমান আজিমপুর কবরস্থানে গিয়ে ভাষা শহীদদের কবর জিয়ারত করেন। সেখানে তিনি সুরা তিলাওয়াত ও দোয়ার মাধ্যমে ভাষা সংগ্রামীদের রূহের মাগফিরাত কামনা করেন।