News update
  • Gaza unsafe for civilians as Israeli attacks hit homes, classrooms     |     
  • El Niño May Push 49 Million More Into Acute Hunger     |     
  • Acting President Urges Unity on National Interest     |     
  • Strong El Nino to dominate global climate in late 2026: WMO     |     
  • July Mass Uprising Day Today     |     

ভারত সরকারের কাছে ক্ষমা চাইলেন জাকারবার্গ

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক মিডিয়া 2026-08-06, 6:36am

img_20260806_063320-f7cf0854083a222b4fec0e18b923b8751785976575.jpg




গত মাসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর একটি পোস্ট ফেসবুক সাময়িকভাবে মুছে ফেলার পর মেটা কর্মকর্তাদের তলব করেছিল দেশটির তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিশু যৌন নিপীড়নমূলক কনটেন্ট ও বিভিন্ন পরিচালনাগত ত্রুটির কারণে ভারত সরকারের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন মেটার প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ।

বুধবার (৫ আগস্ট) সূত্রের বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মেটার গ্লোবাল টিম ভারতের আইটি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছে। বৈঠকে জাকারবার্গের এই ক্ষমা চাওয়ার বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়।

সূত্রগুলো বলছে, এদিন মেটা টিমকে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে যে তারা ‘মধ্যস্থতাকারী’ সংজ্ঞার আওতাভুক্ত নয়। সোশ্যাল মিডিয়া ঠিক করে কারা কনটেন্টগুলো দেখতে পাবে এবং এটি আইটি অ্যাক্টে সেইভ হারবারের আওতাধীন না।

এ সময় মেটার কর্মকর্তারা স্বীকার করেছেন যে, নির্দিষ্ট কিছু কনটেন্টে বুস্ট দেওয়ার জন্য প্রচুর অর্থ ঢালা হয়েছে। ভারতীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, অবৈধ কনটেন্ট প্রচারের জন্য মেটা তাদের ভুল মেনে নিয়েছে।

এর আগে, জুলাইয়ে ইনস্টাগ্রামে শিশু যৌন নিপীড়নমূলক বিজ্ঞাপনের উপস্থিতি নিয়ে কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে ভারতের ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়।

ওই সময় বিবিসি দেশটির এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার বরাতে প্রতিবেদনে লিখেছিল, মেটাকে এমন সব বিজ্ঞাপন ও কনটেন্ট অবিলম্বে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

একইসঙ্গে, কঠোর বার্তা দিয়ে কীভাবে এই ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত কনটেন্ট ও বিজ্ঞাপন প্ল্যাটফর্মে স্থান পেল তার যথাযথ ব্যাখ্যা সাত দিনের মধ্যে জমা দেওয়ার জন্য মেটাকে আলটিমেটাম দিয়েছিল ভারত সরকার।

ওই সময় মেটা বলেছিল, শিশু যৌন নিপীড়নমূলক কনটেন্টের ক্ষেত্রে তাদের ‘জিরো টলারেন্স’ অবস্থান রয়েছে। পাশাপাশি তাদের নিজস্ব শনাক্তকরণ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার কাজ অব্যাহত রয়েছে বলেও দাবি করেছিল মার্কিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম জায়ান্টটি।

গত মাসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর একটি পোস্ট ফেসবুক সাময়িকভাবে মুছে ফেলার পর মেটার কর্মকর্তাদের তলব করে দেশটির তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। ঘটনাটিকে পরিচালনাগত ভুলের কারণে অনিচ্ছাকৃত ঘটনা বলে দাবি করে ক্ষমা চেয়েছিল মেটা।

এ ছাড়া, ভারতের এক জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তার তথ্য অনুসারে, ফেসবুকে প্রকাশিত কিছু ভিডিওতে নরেন্দ্র মোদীকে ‘অপমানজনকভাবে’ উপস্থাপন করার অভিযোগে ‘মেটা ইন্ডিয়া’র প্রধান অরুণ শ্রীনিবাসের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে হায়দ্রাবাদ পুলিশ।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের জন্য নিজেদের আইনকানুন কঠোর করেছে ভারত সরকার। এতে করে ব্যবহারকারীদের পোস্ট করা কনটেন্টের আইনি সুরক্ষা বলয় সীমিত হয়ে এসেছে এবং প্ল্যাটফর্ম পরিচালনাকারী নির্বাহীদের আইনি দায়বদ্ধতা বহুগুণ বেড়েছে।

ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হওয়া ভারতের নতুন নিয়ম অনুসারে, আদালত বা সরকারের চিহ্নিত করা কোনো বেআইনি কনটেন্ট প্ল্যাটফর্ম থেকে সরানোর সময়সীমা ৩৬ ঘণ্টা থেকে কমিয়ে কেবল ৩ ঘণ্টা হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ে ব্যর্থ হলে বিভিন্ন সামাজিক প্ল্যাটফর্ম তাদের আইনি সুরক্ষার অধিকার হারাতে পারে।