News update
  • Bangladesh Heads to First Gen Z-Driven Competitive Poll     |     
  • EC Lifts Mobile Phone Ban, Bars Photos Inside Booths     |     
  • Youth participation vital to BD’s democratic future: C’wealth Group     |     
  • Stocks retreat on week’s first trading day as turnover drops     |     
  • Free education for girls up to honours if BNP wins: Zubaida Rahman     |     

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর শুল্ক কমাল যুক্তরাষ্ট্র

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক বিনিয়োগ 2026-02-09, 11:52pm

wrwrwr-daa287b3079133cb6afe4af3c767f5ee1770659526.jpg




যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে রেসিপ্রোকাল ট্রেড (এআরটি) চুক্তি স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ। 

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টার দিকে বাংলাদেশের পক্ষে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

নতুন চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের ওপর শুল্ক কমিয়ে ১৯ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। আর যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানিকৃত তুলা ও কৃত্রিম তন্তু দিয়ে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে রেসিপ্রোকাল শূন্য শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। আর যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানিকৃত তুলা ও কৃত্রিম তন্তু দিয়ে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে রেসিপ্রোকাল শূন্য শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।

চুক্তি স্বাক্ষরের সময় বাংলাদেশের পক্ষে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ সহকারী লুৎফে সিদ্দিকী, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমান।

এর আগে বাণিজ্য উপদেষ্টা শুল্কহ্রাসের আশা ব্যক্ত করে বলেছিলেন, ‘আমরা চেষ্টা করছিলাম যে আরও কত কমানো যায়। আশা করছি ৯ তারিখে যে চুক্তি হবে, তাতে তা (শুল্কহার) কমবে। তবে কতটুকু কমবে, তা এই মুহূর্তে আমি বলতে চাচ্ছি না বা পারছি না। আমরা আলোচনার ভিত্তিতে তা দেখব।’

এর আগে, ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতা নেওয়ার পর গত বছরের এপ্রিল মাসে একশটির বেশি দেশের ওপর বাড়তি বাণিজ্য শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন। যেসব দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ঘাটতি বেশি, সেসব দেশই ছিল এই সিদ্ধান্তের মূল লক্ষ্য।

বাংলাদেশের ক্ষেত্রে শুরুতে ৩৭ শতাংশ শুল্ক ঘোষণা করা হলেও পরে তা কমিয়ে ৩৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়। এর আগে থেকেই বাংলাদেশি পণ্যের ওপর গড়ে ১৫ শতাংশ শুল্ক ছিল। ফলে মোট শুল্কের হার গিয়ে দাঁড়ায় প্রায় ৫০ শতাংশে। এতে তৈরি পোশাকসহ রপ্তানিখাত বড় চাপের মুখে পড়ে।

এই পরিস্থিতিতে শুল্ক কমানোর জন্য ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা শুরু করে অন্তর্বর্তী সরকার। দীর্ঘ আলোচনার পর গত বছরের ৭ আগস্ট থেকে বাড়তি শুল্ক কমিয়ে ২০ শতাংশে নামানো হয় (অর্থাৎ মোট শুল্ক ৫০ শতাংশ থেকে কমে দাঁড়ায় ৩৫ শতাংশ)। তবে এর বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র থেকে পণ্য আমদানি বাড়িয়ে বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর শর্ত দেয় ওয়াশিংটন।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বার্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ৮০০ কোটি মার্কিন ডলার। এর মধ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি করে প্রায় ৬০০ কোটি ডলারের পণ্য।

বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে পাঁচ বছরে ৩৫ লাখ টন গম আমদানির চুক্তি করেছে বাংলাদেশ। পাশাপাশি উড়োজাহাজ ও যন্ত্রাংশ, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), সয়াবিন তেল, ভুট্টা ও তুলাসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এই প্রক্রিয়ারই অংশ হিসেবে এবার নতুন একটি বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর হলো।