News update
  • Protecting health demands no money: Bangladeshi expert     |     
  • EU Deploys 56 Long-Term Observers Across Bangladesh     |     
  • Appeals over nomination papers:18 more regain candidacies back     |     
  • More than 100 dead in torrential rains and floods across southern Africa     |     
  • Islami Andolan to Contest Election Alone in 13th Poll     |     

নিজস্ব সার্চ ইঞ্জিন ও ম্যাসেজিং অ্যাপ আনছে ইরান

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি 2026-01-18, 11:10am

456tert4534-e0d23d39e890c5bdcaf0b00d519a0bf31768713007.jpg




সাম্প্রতিক বিক্ষোভের পরিপ্রেক্ষিতে স্থায়ীভাবে বৈশ্বিক ইন্টারনেট থেকে বেরিয়ে আসার পরিকল্পনা করছে ইরান সরকার। এর পরিবর্তে এবার নিজস্ব প্রযুক্তির ইন্টারনেট সুবিধা চালু করতে যাচ্ছে তারা। ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট ব্যবহার আর নাগরিক অধিকার হিসেবে গণ্য হবে না ইরানে। 

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ানে। 

প্রতিবেদনে বলা হয়, ইন্টারনেট সেন্সরশিপ পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ফিল্টারওয়াচের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক ইন্টারনেটকে ‘সরকারি বিশেষাধিকার’ হিসেবে রূপান্তরের একটি গোপন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে রয়েছে ইরানি কর্তৃপক্ষ।

প্রতিবেদনে ইরানের ভেতরের একাধিক সূত্রের বরাতে বলা হয়, রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ও সরকারি মুখপাত্ররা ইতোমধ্যে ইঙ্গিত দিয়েছেন, ২০২৬ সালের পর আন্তর্জাতিক ইন্টারনেটের আর অবাধ রাখা হবে না।

ফিল্টারওয়াচের প্রধান আমির রাশিদি বলেন, নতুন এই ব্যবস্থায় শুধুমাত্র নিরাপত্তা ছাড়পত্রপ্রাপ্ত বা সরকারি যাচাই প্রক্রিয়া উত্তীর্ণ ব্যক্তিরাই সীমিত ও ফিল্টার করা বৈশ্বিক ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। সাধারণ নাগরিকদের জন্য থাকবে কেবল একটি জাতীয় ইন্টারনেট, যা সম্পূর্ণভাবে দেশীয়, আর এটি হবে বৈশ্বিক নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন।

এই জাতীয় ইন্টারনেট মূলত একটি সমান্তরাল ডিজিটাল অবকাঠামো, যা সরকারের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে থাকবে। এতে থাকবে শুধু সরকার অনুমোদিত সার্চ ইঞ্জিন, মেসেজিং অ্যাপ, ন্যাভিগেশন সেবা এবং দেশীয় স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম, যাকে অনেকেই ‘ইরানি নেটফ্লিক্স’ হিসেবে বর্ণনা করছেন।

টানা ১২ দিনের সরকারবিরোধী বিক্ষোভের পর গত ৮ জানুয়ারি ইরানে চলমান ইন্টারনেট বন্ধের সূচনা হয়। ওই আন্দোলনে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়েছে। কঠোর দমন-পীড়নের মুখে বিক্ষোভ কিছুটা স্তিমিত হলেও দেশটি কার্যত তথ্য-বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে। ব্যাপক দাঙ্গায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বহু স্থাপনা, নিহত হয়েছেন বহু নিরাপত্তাকর্মীও।

এই ব্ল্যাকআউটকে ইতিহাসের অন্যতম দীর্ঘ ও কঠোর ইন্টারনেট বন্ধ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এটি ২০১১ সালের মিশরের তাহরির স্কয়ার আন্দোলনের সময়কার ইন্টারনেট বন্ধের চেয়েও দীর্ঘ। ইরানের এক সরকারি মুখপাত্র দেশীয় গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, অন্তত নওরোজ বা পারস্যের নববর্ষ (২০ মার্চ) পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট বন্ধ থাকবে।