News update
  • UNGA President Warns Against Fading Attention to Rohingya     |     
  • PM Proposes Five Urgent Steps to Resolve Rohingya Crisis     |     
  • Govt Appoints Indonesian Firm to Operate Cox’s Bazar SPM     |     
  • ADB lowers Bangladesh’s growth forecast to 4 % in FY2027     |     
  • El Niño Tests Global Readiness for a Changing Climate     |     

সংসদে পাশ হওয়া শ্রম বিলকে স্বাগত জানাল বিকেএমইএ

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক বানিজ্য 2026-04-11, 9:02pm

reterterter-8c83be800ce68c4d87ae32404ae38e0d1775919744.jpg




জাতীয় সংসদে পাশ হওয়া শ্রম (সংশোধন) বিল ২০২৬ কে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ) এবং এ জন্য সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে। 

তাদের মতে, কিছু আন্তর্জাতিক সংস্থার নির্দেশনায় বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কর্তৃক ত্রিপক্ষীয় পরামর্শ কমিটির সিদ্ধান্তকে উপেক্ষা করে আইনের কিছু ধারায় কৌশলে অস্পষ্টতা ও বিভ্রান্তি তৈরি করার অপচেষ্টা করেছিলেন যা শিল্প সেক্টরে দীর্ঘ মেয়াদে শ্রম অসন্তোষের বীজ বপন করা হয়েছিল বলে বিকেএমইএ মনে করে। এতে শিল্প কল-কারখানা ও শ্রমিক উভয়েই ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। বিদেশি ক্রেতা গোষ্ঠীর কাছেও নেতিবাচক বার্তা তৈরি হয়েছিল।

বিকেএমইএ বলে, নির্বাচিত বর্তমান সরকার সংশোধিত শ্রম আইনের কিছু ধারা সংশোধন করে পাশ করলেও কিছু জায়গায় এখনও বিভ্রান্তি রয়ে গেছে যা অনাকাঙ্ক্ষিত এবং যা শ্রম অসন্তোষ তৈরি করতে পারে বলে আমরা মনে করি। এর ফলে দেশী-বিদেশি বিনিয়োগ নিরুৎসাহিত হওয়ার পাশাপাশি ব‍্যবসা সহজীকরণ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। শিল্প কল-কারখানায় শান্তি পূর্ণ উৎপাদন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পরবর্তী শ্রমবিধি সংশোধন এবং পরবর্তী আইন সংশোধনের সময় ঐ সকল অস্পষ্টতা ও বিভ্রান্তিসমূহ দূর করার জন‍্য সরকারের কাছে বিনীত অনুরোধ থাকবে।

তারা আরও বলে, এছাড়াও শ্রমিকদের অন্যায়ভাবে 'ব্ল‍্যাক লিস্টিং' করাকে অসৎ শ্রম আচরণ হিসেবে গণ্য করে শান্তির বিধানকে আমরা স্বাগত জানাই। একই সাথে কোন শ্রমিক নামধারী কেউ যদি অন্যায়ভাবে ও আইন বহির্ভূত দাবি নিয়ে শিল্প কল-কারখানায় দাঙ্গা হাঙ্গামা ও উশৃঙ্খলা সৃষ্টি, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জিম্মি করে মারধর, অবৈধ ধর্মঘট ও অন্য শ্রমিকদের কাজে বাধা প্রদান ইত্যাদি কর্ম করে শিল্প কল-কারখানা ও প্রকৃত শ্রমিকদের ক্ষতি সাধন করে তাহলে সেটাকে অসৎ শ্রম আচরণ হিসেবে গণ্য করে আরো কঠিন শাস্তির বিধান রাখা উচিত বলে আমরা মনে করছি। 

সবশেষে তারা বলে, সবশেষে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও দূতাবাস, যারা বাংলাদেশের শ্রম আইন সংস্কার ও সংশোধনীতে নির্দেশনামূলক ভূমিকা রেখেছেন তাদের প্রতি আমাদের আহ্বান - আন্তর্জাতিক ক্রেতা গোষ্ঠীরা বাংলাদেশি পোশাক সরবরাহকারীদের ফেয়ার ও ইথিক‍্যাল মূল‍্য দিচ্ছেন কি-না সেই ব্যাপারেও যেন তদারকি ও নজরদারিতে রাখেন। অন‍্যথায় দিনশেষে শিল্প কল-কারখানা ও শ্রমিক উভয়েই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।