News update
  • Bangladesh GDP to Grow 5% in 2026 Amid Rising Price Pressures     |     
  • Thousands Rally at Chattogram Polo Ground Ahead of Polls     |     
  • Gas Shortages Hit Households as Prices Soar in Dhaka     |     
  • Tarique in Chattogram for second phase of election campaign     |     
  • US seeks to befriend Jamaat-e-Islami, reports Washington Post     |     

নতুন শাবকের জন্ম, কাপ্তাই জাতীয় উদ্যানে বাড়ছে হাতির সংখ্যা

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক বন্যপ্রানী 2026-01-25, 3:38pm

fgrtertret-acd4a2470343caef9ef1badbc50ad50a1769333931.jpg




বাংলাদেশের অন্যতম সমৃদ্ধ বনাঞ্চল কাপ্তাই জাতীয় উদ্যানে গত শুক্রবার নতুন একটি হাতি শাবকের জন্ম হয়েছে। নতুন বছরে এই প্রথম হাতির শাবকের জন্মে বেশ আনন্দিত বনবিভাগের সদস্যরা। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে রাঙামাটির কাপ্তাই জাতীয় উদ্যানসহ এর আশপাশের এলাকায় বুনো হাতির উপস্থিতি বৃদ্ধি পেয়েছিল। এতে করে হাতি মানুষের মাঝে দ্বন্দ্বের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় অনেকেই অভিযোগ তুলেছিলো বনে খাবার সংকটে লোকালয়ে নেমে আসছে বন্যহাতির পাল।

তবে এই অভিযোগ পুরোপুরি সত্য নয় বলে জানিয়েছে বনবিভাগ। বিশেষ করে বর্তমানে কাপ্তাই জাতীয় উদ্যানে হাতির আবাসস্থল বাড়ছে বলেই এবং পর্যাপ্ত খাদ্য পাচ্ছে বলেই নতুন একটি হাতি শাবকের সুস্থভাবে জন্ম হয়েছে।

তা ছাড়া বনবিভাগ চেষ্টা করছে, কাপ্তাই জাতীয় উদ্যানকে আরো সমৃদ্ধি করতে যেন বুনো হাতির পাশাপাশি অনান্য বন্যপ্রাণী সুস্থ সবল ও নিরাপদে বেঁচে থাকতে পারে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম দক্ষিণ বনবিভাগের কাপ্তাই রেঞ্জ কর্মকর্তা ওমর ফারুক স্বাধীন।

এ বিষয়ে রেঞ্জ কর্মকর্তা ওমর ফারুক স্বাধীন গণমাধ্যমকে বলেন, নতুন বছরে নতুন হাতি শাবকের জন্ম এটি আসলেই আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ। আমরা বনবিভাগ বুনো হাতিদের আবাসস্থল রক্ষায় ও খাদ্য সংকট দূর করতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করে তা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি।

তিনি বলেন, কাপ্তাই জাতীয় উদ্যান বাংলাদেশের অন্যতম একটি বৃহৎ বনাঞ্চল। এখানে প্রায় ৪০ থেকে ৪২টি বুনো হাতি পাল সমেত ঘুরাঘুরি করে। বুনো হাতি ছাড়াও এখানে বিভিন্ন প্রজাতির বন্যপ্রাণী ও বনজ সম্পদ রয়েছে। বিগত বছরগুলোতেও এই উদ্যানে দুই থেকে তিনটি হাতি শাবকের জন্ম হয়েছে। তবে নতুন বছরে প্রথম একটি শাবকের জন্ম হয়েছে। বর্তমানে আমরা শাবকটির সর্বোচ্চ নিরাপত্তায় বুনো হাতির পালটির দিকে পর্যবেক্ষণ করে যাচ্ছি। এছাড়া কাপ্তাই জাতীয় উদ্যানে হাতির খাদ্য বৃদ্ধিকরণে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করছি। এর ফলে কাপ্তাই জাতীয় উদ্যানে হাতির আবাসস্থল এর পরিধি আরও বাড়বে।

তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক হাতি মানুষের যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়েছিল এর জন্য মানুষেরও দায় রয়েছে। কেননা হাতির আবাসস্থল অর্থাৎ হাতি চলাচলের যেখানে করিডোর রয়েছে সেখানে মানুষ চলাচলের পাকা রাস্তা তৈরি করেছে, বসতি তৈরি করেছে, বিভিন্ন স্থাপনা তৈরি করেছে। এতে করে হাতি চলাচলে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে। যার ফলে উত্তেজিত হয়ে বন্যহাতি মানুষ ও জানমালের ওপর আক্রমণ করে বসছে। এজন্য জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। হাতি বনের প্রাণী। কিন্তু মানুষ হচ্ছে সৃষ্টির সেরা জীব। হাতি সুরক্ষায় সব মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে এবং বনবিভাগকে তাদের যথাযথ দায়িত্ব পালনে সহযোগিতা করতে হবে। তাতে করেই সফলতা পাওয়া সম্ভব হবে।

১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত কাপ্তাই জাতীয় উদ্যান রাঙামাটি পার্বত্য জেলার কাপ্তাই উপজেলায় অবস্থিত একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সংরক্ষিত বন। এটি বাংলাদেশ বন ও পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃক পরিচালিত এবং দক্ষিণ বন বিভাগের অধীনে থাকা একটি গুরুত্বপূর্ণ জীববৈচিত্র্য এলাকা।