
১২৪ রানের লক্ষ্য। পাকিস্তান ১১ ওভারে ২ উইকেটে ৬৯ রান করে ম্যাচ হাতের মুঠোয় নিয়ে ফেলেছে। ওই অবস্থায় বাংলাদেশের জয়ের আশা করা দুরাশাই! দাঁড়ান! দ্বিতীয় ওভার করতে বল হাতে নিলেন সানজিদা আক্তার মেঘলা। শুরু পাকিস্তানের উইকেটের পতন। পরের ৩৭ বলে ১৫ রান দিয়ে টাইগ্রেসরা তুলে নেয় দলটির অষ্টম উইকেট।
শেষের ১৭ বলে বাংলাদেশ আর উইকেট তুলতে না পারলেও পাকিস্তান ৪০ রানের সমীকরণ মেলাতে পারেনি। ১০০ রান করতে সক্ষম হয় ফাতিমা সানা বাহিনী, বাংলাদেশ জিতে ২৩ রানে।
এই জয়ের মাধ্যমে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের এক আসরে নিজেদের সর্বোচ্চ জয়ের আগের রেকর্ডে ভাগ বসালো নিগার সুলতানা জ্যোতি বাহিনী। লাল সবুজের প্রতিনিধিরা ২০১৪ সালে ঘরের মাঠের বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কা ও আইয়ারল্যান্ডকে হারিয়েছিল। চলতি আসরে প্রথম জয়টি নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে।
সাউদাম্পটনে মেঘলা ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া ১২তম ওভারে নেন ২ উইকেট। পরের ওভার উইকেটশূন্য গেলেও পাকিস্তান তেমন রানও তুলতে পারেনি। ১৫তম ওভারে আঘাম হানেন রাবেয়া খান। এরপর মেঘলা, রিতু মনি ও নাহিদা আক্তার একটি করে উইকেট শিকার করলে পাকিস্তানের ইনিংসের কোমড় ভেঙে যায়।
উদ্বোধনী জুটিতে মুনিবা আলী ও গুল ফিরোজাই যা ৪৯ রান তুলেছিলেন। মুনিবা ২৫ ও ফিরোজা করেন ২৩ রান। বাকিদের কেউ ১২-ও করতে পারেননি। মেঘলা ও নাহিদা ৩টি করে উইকেট শিকার করেন।
জ্যোতি ৩৬ রান করা সত্ত্বেও স্বর্ণা আক্তার ঝড় না তুললে বাংলাদেশের ইনিংসও একশর আশপাশে থেমে যেতে পারত। ২২ বলে স্বর্ণা ৫ চারে করেন ৩৯ রান। তৃতীয় সর্বোচ্চ ২২ রান আসে সোবহানা মোস্তারির ব্যাট থেকে। পাকিস্তানের হয়ে সানা নেন ২ উইকেট।