News update
  • Dhaka Tops Global Air Pollution Index Again     |     
  • UN Unveils First Global AI Assessment Report     |     
  • Balogun scores and sees red as US beat Bosnia 2-0     |     
  • PM reviews projects to ease city’s traffic congestion     |     
  • Efforts underway to bring Hasina back for trial: Shama     |     

বাংলাদেশ থেকে ৬ হাজার ড্রাইভার নেবে আরব আমিরাত

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক প্রবাস 2026-05-17, 3:00pm

fgrewtwewefswfewrf-a52a46b23ac34efe916e24dd26d64fae1779008455.jpg




বাংলা‌দেশ থে‌কে চল‌তি বছর ৬ হাজার ড্রাইভার নি‌য়ো‌গের আগ্রহ প্রকাশ করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) দুবাইয়ের এক‌টি ট্যাক্সি কোম্পানি।

রোববার (১৭ মে) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সঙ্গে তার কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ ক‌রে এ কথা জানায় দুবাই ট্যাক্সি কোম্পানির একটি প্রতিনিধিদল।

কোম্পানিটির প্রতিনিধিরা জানান, বর্তমানে বিশ্বের ২৭টি দেশ থেকে প্রায় ১৫ হাজার কর্মী তাদের কোম্পানিতে কর্মরত আছেন। তাদের মধ্যে প্রায় ৮ হাজার জন বাংলাদেশি। বাংলাদেশি কর্মীরা অত্যন্ত পরিশ্রমী হওয়ায় তাদের অগ্রাধিকার দিয়ে নিয়োগ দেয়া হয়। এমনকি দুবাই এয়ারপোর্টে বাংলাদেশি নারীরাও সফলতার সঙ্গে ড্রাইভিং পেশায় নিয়োজিত আছেন।

প্রতিনিধি দলটি আরও জানায়, সোমবার (১৮ মে) থেকে বাংলাদেশ-কোরিয়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ইন্টারভিউয়ের মাধ্যমে যোগ্য বাংলাদেশি ড্রাইভারদের যাচাই-বাছাই কার্যক্রম শুরু হবে। এ দফায় নতুন করে আরও ১ হাজার ৫০০ ড্রাইভারসহ এ বছর ৬ হাজার ড্রাইভার নিয়োগ দিতে আগ্রহী তারা।

প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী আশা প্রকাশ করেন, আগামী দিনগুলোতেও কর্মী নিয়োগের এই ধারা অব্যাহত থাকবে। এই পুরো প্রক্রিয়ায় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেয়ার দেয়া হবে।

মন্ত্রী দুবাই যাওয়ার পর প্রশিক্ষণকালীন সময়ে তাদেরকে বেতন-ভাতা দেয়ার ব্যবস্থা করতে প্রতিষ্ঠানটিকে অনুরোধ করেন। একইসঙ্গে তিনি চালকদের পাশাপাশি বাংলাদেশ থেকে ‘ডাক্তার ও নার্সদের মতো হোয়াইট কলার’ বা পেশাজীবী কর্মী নিয়োগের জন্য প্রতিনিধি দলকে আহ্বান জানান।

প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক বলেন, বাংলাদেশ থেকে একজন ড্রাইভারের দুবাই যেতে বর্তমানে অনেক টাকা খরচ হয়। এই কর্মীরা অত্যন্ত দরিদ্র ও খেটে খাওয়া মানুষ, যারা অনেক কষ্ট করে বা ঋণ নিয়ে এই অর্থ সংস্থান করেন। 

তাই তাদের আর্থিক সামর্থ্যের কথা বিবেচনা করে এ অভিবাসন খরচ কমিয়ে ১ লাখ টাকার মধ্যে রাখার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানান প্রতিমন্ত্রী।