News update
  • Tree logging in Bangladesh has fallen in last two years: Study     |     
  • Unsafe Food Kills 1.5 Million Yearly, WHO Warns Report     |     
  • Masud Khan Appointed New BSEC Chairman in Shake-up     |     
  • Verdict in Ramisa rape-murder case on June 7      |     

নির্বাচনী প্রচারণার শেষ মুহূর্তে মা-বাবার কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক নির্বাচন 2026-02-10, 8:18am

2086599591e5ba58d70b3d165182a56ef640db67df79edf6-49bc077d4b5c4d2bc5c453e5f21189ce1770689922.png




আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে প্রচারণার শেষ মুহূর্তে মা-বাবার কবর জিয়ারত করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দিনভর রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আটটি জনসভা শেষে রাত ১১টায় তিনি শেরেবাংলা নগরে বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও মা বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করেন । এসময় তিনি শহীদ জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠ করেন। নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে তিনি দীর্ঘক্ষণ মোনাজাত করেন এবং সেখানে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

সোমবার সকাল ১১টা থেকে শুরু করে সন্ধ্যা পর্যন্ত তারেক রহমান ঢাকা মহানগরীর আটটি জনসভায় বক্তব্য দেন। তার নির্বাচনী এলাকা ঢাকা-১৭ (বনানী)-সহ ঢাকা-১০ (কলাবাগান), ঢাকা-৮ (পীরজঙ্গী মাজার), ঢাকা-৯ (মান্দা), ঢাকা-৫ (যাত্রাবাড়ী), ঢাকা-৪ (জুরাইন), ঢাকা-৬ (ধূপখোলা) এবং ঢাকা-৭ (লালবাগ) আসনের জনসভাগুলোতে তিনি অংশ নেন। এসব জনসভায় তিনি দলের ইশতেহার তুলে ধরেন এবং আগামী দিনের বাংলাদেশ বিনির্মাণে জনগণের সমর্থন চান।

এদিন সন্ধ্যায় বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ও বাংলাদেশ বেতারে জাতির উদ্দেশে বিশেষ নির্বাচনী ভাষণ দেন বিএনপি চেয়ারপারসন। সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে সম্প্রচারিত এই ভাষণে তিনি ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে জনগণের মালিকানা ফিরে পাওয়ার ঐতিহাসিক সুযোগ হিসেবে অভিহিত করেন এবং সবাইকে নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানান।

ভাষণে তিনি ক্ষমতায় গেলে ৫ বছরে ১ কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বেকার গ্র্যাজুয়েটদের জন্য বিশেষ ভাতা এবং প্রতিটি পরিবারের জন্য ‘ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার কার্ড’ চালুর প্রতিশ্রুতি দেন। এছাড়া দুর্নীতি দমনে আপসহীন থাকা, মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ এবং সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের কথা বলেন। সংবিধানে ‘আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ কথাটি পুনরায় অন্তর্ভুক্ত করার অঙ্গীকারের পাশাপাশি দল-মত নির্বিশেষে একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। ভাষণে তিনি অতীতে দলের কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ভুলের জন্য দেশবাসীর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন এবং তা সংশোধন করে এগিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।