
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ই-রিটার্ন, অনলাইন পেমেন্ট, ডিজিটাল সেবা সম্পর্কে করদাতাদের সহায়তা দেওয়ার পুরো প্রক্রিয়াকে আমরা অনলাইন করার জন্য চেষ্টা করছি।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ অদিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নিয়ে অর্থমন্ত্রী এ কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রীর কাছে বাগেরহাটের একজন সংসদ সদস্য জানতে চান, করদাতার সংখ্যা বৃদ্ধি এবং কর প্রদান করার লক্ষ্যে কোনো উৎসাহ প্রদান করা হবে কিনা, হলে তা কি?
জবাবে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বাগেরহাট জেলার টিআইএনধারী করদাতার সংখ্যা ৯৬ হাজার ৫৯৪ জন, ২০২৫-২৬ করবর্ষে রিটার্ন দাখিলের সংখ্যা ২৭ হাজার ৬০৭ জন। করদাতার সংখ্যা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে নিম্নবর্ণিত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। নতুন করদাতা শনাক্তকরণ—ব্যবসা, পেশাজীবী, বাড়িওয়ালা, কোম্পানি, অন্যান্য আয়কারী ব্যক্তিদের তথ্য সংগ্রহ করে টিআইএনের আওতায় আনা। তথ্য আদান প্রদান বৃদ্ধি, সেটা হচ্ছে—ব্যাংক আরজেএসসি, সিটি করপোরেশন, ভূমি অফিস, বিআরটিএ, বিএটিসহ অন্যান্য সংস্থার তথ্য ব্যবহার করে সম্ভাব্য করদাতা শনাক্ত করা, স্পট অ্যাসেসমেন্ট কার্যক্রম চলমান আছে। রিটার্ন দাখিল নিশ্চিতকরণ—টিআইএনধারীদের নিয়মিত রিটার্ন দাখিলে উৎসাহিত করা এবং অদাখিলকারীদের আইনগতভাবে অনুসরণ করা, উৎসাহ প্রদান করা। করদাতার সেবা সহজ করা—ই-রিটার্ন, অনলাইন পেমেন্ট, ডিজিটাল সেবা সম্পর্কে করদাতাদের সহায়তা দেওয়া, আমরা চেষ্টা করছি পুরো প্রসেসকে অনলাইন করার জন্য। কর সচেতনতা বৃদ্ধি—ব্যবসায়ী ও পেশাজীবীদের নিয়ে সভা সেমিনার, প্রচারণার মাধ্যমে কর প্রদানে উৎসাহিত করা।