News update
  • Ctg Port’s historic milestone in 2025 container handling, revenue     |     
  • NBR Probes Bank Records of 100 Exporters Over Bond Abuse     |     
  • Hadi murder case: Sanjay, Faisal give ‘confessional’ statements     |     
  • Islami Bank organizes orientation for 1000 Trainee Assistant officers     |     
  • 2025: People’s Resistance Against Hydro Projects in Himalaya     |     

ভোট দিলেন নরেন্দ্র মোদি

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক গনতন্ত্র 2024-05-07, 12:38pm

1712af02debc09dd2cd1ad9a2e1f5661d967610100833f54-1516330117d58d9eb0467b7c590858e01715063949.jpg




ভারতের লোকসভা নির্বাচনের তৃতীয় দফার ভোটগ্রহণ চলছে। মঙ্গলবার (৭ মে) দেশটির স্থানীয় সময় সকাল ৭টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়। এদিন সকালে আহমেদাবাদের একটি ভোটকেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

এক প্রতিবেদনে এনডিটিভি জানিয়েছে, নগরীর রানীপ এলাকার নিশান উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভোট দেন মোদি। এদিন সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ভোটকেন্দ্রে পৌঁছান তিনি। সেখানে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তাকে উত্তরীয় পরিয়ে বরণ করে নেন। পরে তারা দুইজন বুথের দিকে চলে যান।

এসময় প্রধানমন্ত্রীকে এক ঝলক দেখার জন্য রাস্তার দুপাশে ভিড় জমান বহু মানুষ। তাকে দেখামাত্রই উল্লাস করে উঠেন। ‘মোদি মোদি’ স্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠে চারপাশ। ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার পথে তিনি একজন সমর্থককে অটোগ্রাফও দেন।

ভোট দেয়ার পর মোদি বলেন, 

আজ তৃতীয় দফার ভোট। আমাদের দেশে এর বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। সেই চেতনা থেকে দেশবাসীকে ভোট দিতে হবে। এখনো চারদফার ভোট বাকি।

তিনি আরও বলেন, 

আমি গুজরাটের ভোটার। এটাই একমাত্র জায়গা যেখানে আমি নিয়মিত ভোট দিই। অমিত ভাই এখান থেকে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজপি) প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

আজকের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১ হাজার ৩০০ জনেরও বেশি প্রার্থী। যাদের মধ্যে ১২০ জন নারী।

তৃতীয় দফার নির্বাচনে গুজরাটের ২৬টি, কর্নাটকের ১৪টি, মহারাষ্ট্রের ১১টি, উত্তর প্রদেশের ১০টি, মধ্যপ্রদেশের আটটি, ছত্তিশগড়ে সাতটি, বিহারের পাঁচটি, আসামের চারটি, পশ্চিমবঙ্গের চারটি, গোয়ার দুইটি, দাদরা অ্যান্ড নগর হাভেলি এবং দমম অ্যান্ড দিউরের দুইটি আসনে ভোটগ্রহণ হবে।

আজকের ভোটের হেভিওয়েট প্রার্থীরা হলেন- কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া এবং সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী।