News update
  • Ctg Port’s historic milestone in 2025 container handling, revenue     |     
  • NBR Probes Bank Records of 100 Exporters Over Bond Abuse     |     
  • Hadi murder case: Sanjay, Faisal give ‘confessional’ statements     |     
  • Islami Bank organizes orientation for 1000 Trainee Assistant officers     |     
  • 2025: People’s Resistance Against Hydro Projects in Himalaya     |     

রোজার আগেই বেড়েছে চিনির দাম, স্বস্তিতে সবজি বাজার

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক খাদ্য 2026-01-02, 6:20pm

reterwerew-a8c742520857bac2cc4048966e4db2461767356414.jpg




পবিত্র রমজান মাস আসতে এখনও বাকি এক মাসেরও বেশি সময়। তার আগেই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে অস্বস্তির আভাস মিলছে। রোজা এলেই দাম বাড়ে—এমন অভিযোগের মধ্যে এবার আগেভাগেই বেড়েছে চিনির দাম। এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে এই পণ্যটির দাম।

এদিকে পুরোপুরি শীতের মৌসুমে রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলো যেন রীতিমতো সবজির উৎসবমুখর চেহারা নিয়েছে। বাজারজুড়ে শীতকালীন সবজির প্রাচুর্য, আর তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে কমেছে দামও। দীর্ঘদিন পর সবজির দামে স্বস্তি ফিরে পাওয়ায় খুশি সাধারণ ক্রেতারা।

শুক্রবার (২ জানুয়ারি) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ফুলকপি, বাঁধাকপি, শিম, গাজর, মুলা, টমেটো, পালংশাক, লালশাকসহ প্রায় সব ধরনের শীতকালীন সবজি সহজলভ্য। বেশির ভাগ সবজির কেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যেই বিক্রি হচ্ছে। কিছু শাকসবজি তো আরও কম দামে মিলছে, যা স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য বাড়তি স্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বর্তমানে ফুলকপি প্রতিটি ৩০ থেকে ৪০ টাকা, বাঁধাকপি ৪০ থেকে ৪৫ টাকা, লাউ ৪০ থেকে ৬০ টাকা, শিম কেজিপ্রতি ৪০ থেকে ৬০ টাকা, গাজর ও মুলা ৩০ থেকে ৪০ টাকা এবং পালংশাক ও লালশাক প্রতি আঁটি ১০ থেকে ১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যা গত সপ্তাহের তুলনায় অনেকটাই কম।

ক্রেতারা বলছেন, সারা বছর ধরে সবজির বাড়তি দাম তাদের বাজেটে বড় চাপ তৈরি করেছিল। শীত আসার ফলে সেই চাপ কিছুটা হলেও কমেছে। 

পুরান ঢাকার বাসিন্দা গৃহিণী রহিমা বেগম বলেন, আগে ২০০–৩০০ টাকায় অল্প কয়েকটা সবজি নিতে হতো। এখন একই টাকায় ব্যাগ ভরে সবজি পাওয়া যাচ্ছে। পরিবারের খাবারের মেনুতেও বৈচিত্র্য আসছে।

সবজির দাম কমলেও মাছের দামে খুব একটা পরিবর্তন নেই, এর দাম সব সময় বাড়তিই থেকে যায়। ক্রেতাদের অভিযোগ, পাইকারি বাজারে দাম কমলেও খুচরা বাজারে তার প্রভাব পড়ে না। বাজারে প্রতি কেজি কোরাল ৭০০ থেকে ৯০০ টাকা ও আইড় ৭০০ থেকে ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শিং মাছের দাম কিছুটা কমে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকায় নেমেছে।

এ ছাড়া টেংরা ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা, সরপুঁটি ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা এবং পাঙাশ ও সিলভার কার্প ১৮০ থেকে ২৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

আকারে বড় চিংড়ি ৭৫০ থেকে ১২০০ টাকা এবং ছোট চিংড়ি ১০০০ থেকে ১২০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। এক কেজি ওজনের ইলিশ ২২০০ থেকে ২৫০০ টাকা এবং দুই কেজি ওজনের ইলিশ ২৬০০ থেকে ৩০০০ টাকা পর্যন্ত হাঁকা হচ্ছে। 

মাছ বিক্রেতা জাহাঙ্গীর আলমের ভাষ্য, শীতে নদীতে মাছ কম ধরা পড়ায় আড়তে দাম বাড়তি, যার প্রভাব খুচরা বাজারেও পড়েছে।