News update
  • Food grain stocks in country exceed 20.6 lakh tons     |     
  • Dhaka, Beijing Likely to Sign 15–17 Agreements     |     
  • Govt Aims for Efficient Spending, More Revenue     |     
  • PM Stresses Education, Health for Nation-Building     |     
  • Australia hold off Bangladesh fightback to seal T20I series     |     

শহীদ মিনারে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক খবর 2026-02-21, 10:27am

images-2-038b857f401d483ef27b115d9cd5c9bd1771648156.jpeg




শহীদ মিনারে সর্বস্তরের মানুষ ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন থেকে ব্যক্তি পর্যায়ে অনেকে আসছেন।

একুশের প্রথম প্রহরে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পুষ্পস্তবক অর্পণের পাশাপাশি দোয়া-মোনাজাতে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান সরকারের ঊর্ধ্বতন ব্যক্তিরা।

রাত বারোটা বাজার এক মিনিট আগে শহীদ বেদিতে পৌঁছান রাষ্ট্রপতি। ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পর কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে শহীদ মিনারে আসেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এসময় তিনি শহীদ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থেকে শ্রদ্ধা জানান। এরপর শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। পরে মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের নিয়ে শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এসময় মন্ত্রিসভার সদস্যসহ উপস্থিত ছিলেন তারেক রহমানের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরাও।

পরে দলীয় প্রধান হিসেবে নেতাদের সঙ্গে নিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান বিএনপি চেয়ারম্যান। সবশেষে তারেক রহমান তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জায়মা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে শহীদ বেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিন বাহিনী প্রধান বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এরপর একে একে প্রধান নির্বাচন কমিশনার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

অন্যদিকে প্রথমবারের মতো কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান জামায়াত আমির ও সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। উপস্থিত ছিলেন ১১ দলীয় জোটের সংসদ সদস্যরাও। এসময় শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। বিরোধীদলীয় নেতা জানান, রাষ্ট্রীয় আচারের অংশ হিসেবে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে শহীদ মিনারে গিয়েছেন তারা। পরে আজিমপুরে শহীদদের কবরে দোয়া-মোনাজাত করেন জামায়াত আমির।

রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার।

জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা (ইউনেস্কো) কর্তৃক আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি পাওয়ার পর থেকে বিশ্বজুড়ে এ দিবসটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে পালিত হয়ে আসছে। বাঙালি জাতির কাছে এটি একদিকে যেমন গভীর শোক ও বেদনার, অন্যদিকে মাতৃভাষার অধিকার আদায়ে সর্বোচ্চ ত্যাগের মহিমায় উজ্জ্বল এক ঐতিহাসিক দিন।

১৯৫২ সালের এই দিনে ‘বাংলাকে’ রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে তৎকালীন পূর্ববাংলার (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) ছাত্র ও যুবসমাজ শাসকগোষ্ঠীর জারি করা ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে রাজপথে নেমে আসে। মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষায় আন্দোলনরত ছাত্র-জনতার মিছিলে পুলিশ গুলি চালালে সালাম, জব্বার, শফিক, বরকত ও রফিকসহ নাম না জানা আরও অনেকে শহীদ হন। তাদের সেই আত্মত্যাগই আজ বিশ্বজুড়ে ভাষাপ্রেম ও অধিকার আদায়ের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে।