News update
  • EU calls for stronger borders after Ceuta migrant crossings     |     
  • Iran warns of risks. casualties of blocade of its ports continues     |     
  • PM issues three directives to boost solar power, tackle energy crisis      |     
  • Worsening gas shortage threatens exports, disrupts daily life     |     
  • A 20-metre road, eight months underwater in Kushtia     |     

ভারতে বসে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক তৎপরতা ঠেকাতে সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ

ইউনাইটেড নিউজ অব বাংলাদেশ (ইউএনবি) খবর 2026-08-04, 9:24am

prraassttr_updessttaa-62674d4a3dcc2f07ec8a53f73d3ae5ff1785813883.jpg




ভারতে পলাতক ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের কোনো ব্যক্তি যাতে ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে বা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে কোনো কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে না পারে, সে বিষয়ে ভারতের সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে এ ধরনের কার্যক্রম দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ইতিবাচক অগ্রগতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

সোমবার (৩ আগস্ট) বিকেলে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে ঢাকায় নবনিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীর সৌজন্য সাক্ষাতে এ বিষয়টি তুলে ধরা হয়।

সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও ভারতের বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আস্থা ও অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার এবং এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে উভয় পক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করেছে।

বৈঠকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সম্ভাব্য প্রকাশ্য বক্তব্যের বিষয়টিও আলোচনায় আসে।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ভারতের হাইকমিশনারকে জানান, পলাতক শেখ হাসিনাসহ কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের কোনো ব্যক্তি যাতে ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য প্রদান বা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে কোনো কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে না পারে, সে বিষয়ে ভারতের সহযোগিতা প্রত্যাশা করে বাংলাদেশ। এ ধরনের কর্মকাণ্ড দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ইতিবাচক অগ্রগতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ভারতের হাইকমিশনার বিষয়টি যথাযথভাবে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় খোঁজখবর নেওয়া এবং এ বিষয়ে সচেষ্ট থাকার আশ্বাস দেন।

সাক্ষাতকালে উভয় পক্ষ নিয়মিত সংলাপ ও গঠনমূলক সম্পৃক্ততা অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি পারস্পরিক আস্থা ও আলোচনার মাধ্যমেই সব বিষয়ে দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই সমাধান অর্জন সম্ভব বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।

এদিকে, পৃথক এক বার্তায় ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশন জানিয়েছে, এই আলোচনাটির কেন্দ্রে ছিল পারস্পরিক আগ্রহ ও পারস্পরিক কল্যাণের ওপর ভিত্তি করে দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে জনগণ-কেন্দ্রিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা। হাইকমিশনার ভারত ও বাংলাদেশের জনগণের উন্নয়নমূলক আকাঙ্ক্ষা পূরণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে ইতিবাচকভাবে কাজ করার ক্ষেত্রে ভারতের অভিপ্রায়ের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।