News update
  • US Supreme Court Voids Donald Trump Global Tariffs     |     
  • India looks forward to engaging with new govt in Bangladesh     |     
  • No more running after doctors, services to reach doorsteps     |     
  • ‘Revolutionary’ shift in economy, stock market soon: Amir Khashru     |     
  • Stocks end week sharply lower as DSE, CSE indices tumble     |     

দায়িত্ব পেয়েই ৯ কর্মসূচি ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক ক্রিকেট 2026-02-19, 11:07am

5y645643534-161325287117a5fa9f658c82430b67cb1771477637.jpg




যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন জাতীয় দলের সাবেক ফুটবলার আমিনুল হক। গতকাল সচিবালয়ে প্রথমবারের মত অফিস করতে এসে আনুষ্ঠানিকভাবে নয়টি কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন তিনি। 

ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের কোন প্রতিষ্ঠান কোনটা বাস্তবায়ন করবে সেই তালিকাও প্রকাশ করা হয়েছে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা, জাতীয় শিক্ষাক্রমে বাধ্যতামূলক ক্রীড়া শিক্ষা এবং ৬৪ জেলায় ইনডোর সুবিধাসম্পন্ন স্পোর্টস ভিলেজ নির্মাণসহ মোট ৯টি কর্মসূচি হাতে নিয়েছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। 

ফুটবল, ক্রিকেটের বাইরে দেশের অন্য সকল খেলোয়াড়রা তেমন সুযোগ-সুবিধা পান না। এজন্য তিনি জাতীয় দলে সকল খেলোয়াড়কে বেতনের আওতায় আনতে চান এবং খেলাকে পেশা হিসেবে স্বীকৃতি প্রদানের চেষ্টা করছেন। 

এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করবে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ক্রীড়া অনুবিভাগ-১ ও ২ , জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ও বিকেএসপি। চতুর্থ শ্রেনী থেকে খেলাধূলা বাধ্যতামূলক করার বিষয়টিও এই তিন প্রতিষ্ঠান মিলে তদারকি করবে।

প্রতিভা বিকাশে ‘নতুন ক্রীড়া স্পোর্টস’ কর্মসূচির আওতায় ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী সম্ভাবনাময় ক্রীড়া শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তৃণমূল পর্যায়ে ক্রীড়া অবকাঠামো জোরদারে উপজেলা পর্যায়ে ক্রীড়া অফিস স্থাপন ও কর্মকর্তা নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগ ক্রীড়া পরিদপ্তরের অধীনে পরিচালিত হবে। 

অবকাঠামো উন্নয়নের অংশ হিসেবে দেশের ৬৪ জেলায় ইনডোর সুবিধাসম্পন্ন স্পোর্টস ভিলেজ নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে বিকেএসপি। 

সকল মহানগরসহ দেশের গ্রামীণ জনপদে খেলার মাঠ স্থাপন ও উন্নয়নের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এই প্রকল্প থাকবে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের আওতায়।

দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ও সুবিধা বঞ্চিতদের খেলার সুযোগ নিশ্চিত করা হবে। বিকেএসপি ও ক্রীড়া পরিদপ্তর যৌথভাবে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে। 

দেশে ক্রীড়া সরঞ্জাম ইন্ডাস্ট্রি স্থাপনের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে মন্ত্রণালয় ও ক্রীড়া পরিদপ্তরের উপর। বিভিন্ন ব্যাংক ও কর্পোরেট সংস্থাকে খেলাধুলায় পৃষ্ঠপোষকতার জন্য সম্পৃক্তকরন করা হবে। যার দেখভাল করবে মন্ত্রণালয় ও ক্রীড়া পরিদপ্তর।