News update
  • Humanitarian Aid For Rohingyas Dwindles in Largest Refugee Camp      |     
  • We Came for Action, Not Promises: Bonn Talks Ended in Frustration     |     
  • Italy declares red heatwave alert in 15 cities     |     
  • Bangladesh Eyes $1bn Carbon Gains From 25 Crore Trees     |     
  • Weak revenue collection, rising debt threaten economic stability     |     

ইরানে সহিংসতায় হাসপাতালে চাপ, চিকিৎসকরা বলছেন পরিস্থিতি ভয়াবহ

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক কুটনীতি 2026-01-11, 1:30pm

fgdfgretwer-7637d8d234818fc5fe9eb105f65327a01768116626.jpg




ইরানে চলমান সরকারবিরোধী আন্দোলনের ফলে দেশটির বিভিন্ন হাসপাতালে নিহত ও আহত মানুষের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে বলে জানিয়েছেন দেশটির চিকিৎসাকর্মীরা। তেহরানের অন্তত তিনটি হাসপাতালের কর্মীরা বিবিসিকে জানিয়েছেন, তাদের চিকিৎসা ব্যবস্থা এখন চরম চাপের মুখে পড়েছে। 

একজন চিকিৎসক বলেন, রাজধানীর একটি বিশেষায়িত চোখের হাসপাতালে জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করা হয়েছে এবং অপ্রয়োজনীয় অপারেশন ও ভর্তি কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। আরেকজন মেডিকেল কর্মী জানান, আহতদের সংখ্যা এত বেশি যে অনেক সময় যথাযথ চিকিৎসা দেওয়ার সুযোগ মিলছে না। খবর বিবিসির। 

গত দুই সপ্তাহ আগে তেহরানে অর্থনৈতিক সংকটকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া আন্দোলন এখন ইরানের সব প্রদেশের শতাধিক শহরে ছড়িয়ে পড়েছে। বিবিসি পার্সিয়ান জানিয়েছে, এ পর্যন্ত বহু মানুষ নিহত বা আহত হয়েছেন এবং অনেককে আটক করা হয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনীর কয়েকজন সদস্যও প্রাণ হারিয়েছেন বলে বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থার দাবি।

উত্তর ইরানের রাশত শহরের পোরসিনা হাসপাতাল সূত্রে বিবিসি নিশ্চিত করেছে, এক রাতে সেখানে ৭০টি মরদেহ আনা হয়। মর্গে জায়গা না থাকায় সেগুলো অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, নিহতদের পরিবার থেকে দাফনের জন্য মরদেহ ছাড়াতে বড় অঙ্কের অর্থ দাবি করা হয়েছে।

এদিকে বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যা থেকে দেশটিতে প্রায় সম্পূর্ণ ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ থাকায় আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের জন্য ঘটনাস্থল থেকে খবর সংগ্রহ ও যাচাই করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের প্রতিক্রিয়া

বিক্ষোভকারীদের হত্যার অভিযোগের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র সতর্ক করে বলেছে, এর জবাব দেওয়া হবে। এ নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, ইরান ‘স্বাধীনতার দিকে এগোচ্ছে’ এবং যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত রয়েছে সহায়তায়।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান উরসুলা ভন ডার লিয়েন ইরানে বিক্ষোভ দমনে সহিংসতার নিন্দা জানিয়েছেন। জাতিসংঘও পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির নেতারা যৌথ বিবৃতিতে ইরানি কর্তৃপক্ষকে শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।

ইরান সরকারের কঠোর অবস্থান

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি বলেছেন, সরকার ‘রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িতদের’ বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে পিছপা হবে না। নিরাপত্তা বাহিনীর পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে, সরকারি সম্পদ রক্ষায় তারা আরও সক্রিয় হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, ২০২২ সালের মাহসা আমিনির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া আন্দোলনের পর এটিই ইরানে সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ, যা দেশটির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।