News update
  • PM Tarique Makes Surprise Visit to SPARRSO     |     
  • Argentina Beat Jordan 3-1 to Top Group J     |     
  • 12 Chinese companies interested to invest over $9bn in Bangladesh     |     
  • BNP govt solved Rohingya crisis twice before, will do so again: FM     |     
  • Venezuela earthquakes kill 920, tens of thousands missing     |     

৯ বছর পর চীন সফরে ডোনাল্ড ট্রাম্প

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক কুটনীতি 2026-05-13, 11:44am

tramp-china-2605130358-64c1c6d9f374f13e90b9f8f82cc863031778651046.jpg




প্রায় দীর্ঘ এক দশক পর চীন সফরে গেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আজ বুধবার (১৩ মে) তিনি বেইজিং পৌঁছান। যেখানে ইরান ও তাইওয়ান ইস্যু নিয়ে বিদ্যমান উত্তেজনার মধ্যেই দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। খবর এএফপির।

হোয়াইট হাউস থেকে রওনা হওয়ার আগে ট্রাম্প সাংবাদিকদের জানান, চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে তার ‘দীর্ঘ আলোচনা’ হবে ইরান প্রসঙ্গে, কারণ চীন বর্তমানে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কবলে থাকা ইরানি তেলের প্রধান ক্রেতা।

যদিও ট্রাম্প ইরান ইস্যুতে নিজের জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী, তবুও বেইজিং শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পাকিস্তানের মধ্যস্থতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিচ্ছে। চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারের সঙ্গে ফোনালাপে হরমূজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে গঠনমূলক ভূমিকার আহ্বান জানিয়েছেন।

এই সফরে ট্রাম্প তাইওয়ানের কাছে মার্কিন অস্ত্র বিক্রির বিষয়টি নিয়ে শি জিনপিংয়ের সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানিয়েছেন। এই পদক্ষেপটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক অবস্থান থেকে কিছুটা ব্যতিক্রম, যেখানে তারা সাধারণত তাইওয়ান ইস্যুতে বেইজিংয়ের সঙ্গে আলোচনার ধার ধারত না। তবে ট্রাম্পের দাবি, শির সঙ্গে তার ব্যক্তিগত সুসম্পর্কই তাইওয়ানে যেকোনো সামরিক সংঘাত এড়াতে সহায়ক হবে।

ট্রাম্পের এই সফরে তার সঙ্গে ইলন মাস্ক ও টিম কুকের মতো শীর্ষ মার্কিন ব্যবসায়িক নির্বাহীরা রয়েছেন। দুই দেশের মধ্যে শুল্ক যুদ্ধের বর্তমানে এক বছরের বিরতি চললেও বিরল মৃত্তিকা রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ ও বাণিজ্যিক ঘাটতি নিয়ে দুই দেশের প্রধানদের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের দর কষাকষি হওয়ার কথা রয়েছে। চীনের ঝিমিয়ে পড়া অর্থনীতি ও অভ্যন্তরীণ ঋণ সংকটের প্রেক্ষাপটে এই সম্মেলনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে।

ট্রাম্পের আগমন উপলক্ষে বেইজিংয়ের রাস্তায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে, যেখানে পুলিশ মেট্রো যাত্রী ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে নিবিড় নজরদারি চালাচ্ছে। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের মধ্যে আনুষ্ঠানিক বৈঠক, রাষ্ট্রীয় ভোজসভা ও বিশেষ অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানের কথা রয়েছে। বৈশ্বিক অস্থিরতার এই সময়ে দুই পরাশক্তির এই বৈঠক স্থায়ী শান্তির পথ প্রশস্ত করবে কি না, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ দেখা দিয়েছে।