News update
  • Bangladesh, US sign strategic civil nuclear cooperation agreement     |     
  • Bangladesh Unveils Five-Year Plan to Tackle Pollution     |     
  • Potential For Stronger Saudi Investment Considerable: Ambassador     |     
  • Padma Barrage To Restore River Ecosystem In SW Bangladesh      |     
  • The Urge To Contain Super AI, Today’s Frankenstein     |     

রামেকে নির্ধারিত শয্যার চেয়ে তিনগুণ বেশি রোগী ভর্তি

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক হাসপাতাল 2026-09-26, 9:03pm

img_20260926_210302-24007ef42a2b0ecdecff419079f6a7f81790435010.jpg




রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ধারণক্ষমতার তুলনায় রোগীর চাপ অব্যাহত রয়েছে। হাসপাতালের দৈনিক রোগী পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২৬ সেপ্টেম্বর ১,২০০টি অনুমোদিত শয্যার বিপরীতে মোট ৩,৩০৩ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ফলে অনুমোদিত শয্যার অতিরিক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২,১০৩ জন এবং শয্যা দখলের হার ২৭৫.২৫ শতাংশ।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, আগের দিনের রোগী ছিলেন ৩,০৯২ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৭৬৩ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে ৩২৬ জন রোগী ছাড়পত্র পেয়েছেন এবং ১৮৯ জন DORB (Discharge on Risk Bond) হয়েছেন। এছাড়া ২৫ জন রোগী Absconded হয়েছেন এবং ৩২ জন রোগী মৃত্যুবরণ করেছেন।

চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি হাসপাতালের অস্ত্রোপচার কার্যক্রমও চলমান রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৩২টি মেজর অপারেশন ও ৪৩টি মাইনর অপারেশন সম্পন্ন হয়েছে। একই দিনে হাসপাতালের বহির্বিভাগে (আউটডোর) চিকিৎসাসেবা নিয়েছেন ৫,১৪৭ জন রোগী।

বিশেষ রোগী পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বর্তমানে হাসপাতালে ৯৮ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এছাড়া ২৬ জন হাম (Measles) আক্রান্ত রোগী এবং ৯ জন সাপের কামড়ে আক্রান্ত রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। কারা সেলে ৭ জন এবং ওসিসি (One Stop Crisis Centre)-তে ৩ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

হাসপাতালটি প্রতিষ্ঠার সময় ৫০০ শয্যার অবকাঠামো নিয়ে যাত্রা শুরু করে। পরবর্তীতে ক্রমবর্ধমান রোগীর চাপ সামাল দিতে দুই শয্যার মাঝে নতুন শয্যা স্থাপন, বারান্দা ও করিডোর ব্যবহার, বিভিন্ন ফাঁকা জায়গায় ওয়ার্ড সম্প্রসারণসহ নানাভাবে রোগী ধারণের ব্যবস্থা বাড়ানো হয়। বর্তমানে হাসপাতালের অনুমোদিত শয্যার সংখ্যা ১,২০০ হলেও চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা এর প্রায় পৌনে তিন গুণ।

একই দিনে ৩,৩০৩ জন ভর্তি রোগীর পাশাপাশি বহির্বিভাগে আরও ৫,১৪৭ জন রোগী চিকিৎসাসেবা নিয়েছেন। বিপুলসংখ্যক রোগীর চাপের মধ্যেও হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী ও সংশ্লিষ্টরা নিয়মিত চিকিৎসাসেবা ও অস্ত্রোপচার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।