News update
  • Iran dismisses Trump’s threats, vows swift response to any US attack     |     
  • Student-led shrimp farming sparks rural aquaculture boom in Naogaon     |     
  • Bangladesh Sets Path for Sustainable Farming by 2050     |     
  • Child rescued from deep tube-well hole in Ctg dies     |     
  • Days ahead will be very challenging for journalists' - ABM Mosharraf     |     

মিনিয়াপলিসের উত্তপ্ত পরিস্থিতি সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন ট্রাম্প

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক সংঘাত 2026-01-29, 12:12pm

rtyhrtyrty-22b5689ed92ce462c3e053bfe469eeef1769667178.jpg




যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের মিনিয়াপলিস শহরে দুই বেসামরিক ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় জড়িত দুই ইমিগ্রেশন এজেন্টকে ছুটিতে পাঠানো হয়েছে বলে বুধবার (২৮ জানুয়ারি) জানিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। এদিকে পরিস্থিতি শান্ত করার প্রতিশ্রুতি দিলেও শহরের মেয়রের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক মন্তব্য অব্যাহত রেখেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। খবর বার্তা সংস্থা এএফপির।

গত শনিবার সংঘটিত ওই ঘটনার পর থেকে অফিসাররা ছুটিতে রয়েছেন—যাকে মার্কিন কর্মকর্তারা ‘প্রমিত নিয়ম বা স্ট্যান্ডার্ড প্রটোকল’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, পোশাকধারী অফিসাররা ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে ৩৭ বছর বয়সী অ্যালেক্স প্রেটিকে মাটিতে ফেলে দেন এবং এরপর তাকে লক্ষ্য করে একাধিকবার গুলি ছোড়েন।

মঙ্গলবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, তিনি মিনিয়াপলিসে চলমান উত্তেজনা ‘প্রশমিত’ করতে চান। উল্লেখ্য, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কঠোর অভিবাসন বিরোধী অভিযানের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে এই শহরটি।

বুধবার ৭৯ বছর বয়সী এই রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট মিনিয়াপলিসের মেয়রের ওপর চড়াও হন। সন্দেহভাজন অবৈধ অভিবাসীদের খুঁজে বের করতে ফেডারেল কর্তৃপক্ষকে সহযোগিতা না করার বিষয়টিকে তিনি আইনের অত্যন্ত গুরুতর ‘লঙ্ঘন’ বলে অভিহিত করেন। ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লেখেন, মেয়র জ্যাকব ফ্রে ‘আগুন নিয়ে খেলছেন’।

পেশায় আইসিইউ নার্স অ্যালেক্স প্রেটিকে গুলি করে হত্যার ঘটনাটি রাজনৈতিক অঙ্গনের সব পক্ষ থেকেই তীব্রভাবে নিন্দিত হয়েছে। যদিও হোয়াইট হাউস কর্মকর্তারা শুরুতে এই হত্যাকাণ্ডকে ন্যায়সংগত হিসেবে প্রমাণের চেষ্টা করেছিলেন।

জনরোষ দমানোর প্রচেষ্টায় ট্রাম্প মিনিয়াপলিসে মোতায়েন করা ইমিগ্রেশন এজেন্টদের নেতৃত্বে রদবদল করেছেন। তিনি সেখানে আগ্রাসী মেজাজের গ্রেগ বোভিনোর পরিবর্তে নীতি-নির্ধারণী কাজে অভিজ্ঞ ‘বর্ডার জার’ হিসেবে পরিচিত টম হোমানকে দায়িত্ব দিয়েছেন। বোভিনো টিভিতে প্রচারিত তার আক্রমণাত্মক অভিযানের জন্য বেশ পরিচিত ছিলেন।

এদিকে আরেক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, অ্যাটর্নি জেনারেল পাম বন্ডি বুধবার মিনিয়াপলিসে অবস্থানকালে ঘোষণা করেছেন, ফেডারেল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর হামলার অভিযোগে মিনেসোটার ১৬ জন ‘দাঙ্গাকারীকে’ গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

হোয়াইট হাউস বলছে, তারা কেবল দুর্ধর্ষ অপরাধীদের লক্ষ্য করেই অভিযান চালাচ্ছে, তবে রাস্তাঘাট, বাড়িঘর এবং কর্মস্থল থেকে মুখোশধারী ও ভারী অস্ত্রে সজ্জিত ব্যক্তিদের হাতে মানুষকে তুলে নেওয়ার বিষয়টি ব্যাপক আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে।

এই আতঙ্ক চলতি মাসে ক্ষোভে রূপ নেয় যখন ইমিগ্রেশন এজেন্টরা মিনিয়াপলিসে পৃথক দুটি ঘটনায় অত্যন্ত কাছ থেকে দুই বিক্ষোভকারীকে গুলি করে হত্যা করে। তারা হলেন অ্যালেক্স প্রেটি ও রেনি গুড এবং এরা  দুজনেই মার্কিন নাগরিক ছিলেন।

ট্রাম্পের শীর্ষ সহযোগী স্টিফেন মিলার শুরুতে প্রেটিকে একজন ‘সম্ভাব্য আততায়ী’ হিসেবে অভিহিত করে এই হত্যাকাণ্ডকে ন্যায়সংগত করার চেষ্টা করেছিলেন। অথচ ভিডিওর প্রমাণে স্পষ্টভাবে দেখা গেছে, ৩৭ বছর বয়সী এই ব্যক্তিকে যখন মাটিতে চেপে ধরে পিঠে গুলি করা হয়, তখন তিনি কোনো ধরনের হুমকির কারণ ছিলেন না।

মঙ্গলবার দেরিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে মিলার বলেন, কাস্টমস এবং বর্ডার প্যাট্রোল এজেন্টরা যারা প্রেটিকে হত্যা করেছে তারা হয়তো ‘প্রোটোকল বা নিয়ম অনুসরণ করেনি।’

এই নেতিবাচক পরিস্থিতির দায়ভার থেকে নিজেকে দূরে রাখতে মঙ্গলবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও কিছুটা নরম সুরে কথা বলেছেন। তবে ট্রাম্প এও জানিয়েছেন যে, অভিযান প্রত্যাহারের কোনো পরিকল্পনা তার নেই এবং তার অনুগত হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি ক্রিস্টি নোয়েমকে বরখাস্ত করার দাবিও তিনি প্রত্যাখ্যান করেছেন।