News update
  • Toyota Tsusho briefs PM on plan to manufacture vehicles in Bangladesh     |     
  • Security, sacrifice or opportunity: Climate action visions differ      |     
  • Four New Subjects to Join Curriculum From 2027     |     
  • Strong children mean a stronger Bangladesh: PM     |     

তরুণদের সামরিক প্রশিক্ষণ কেন বাধ্যতামূলক করছে জার্মানি?

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক সংঘাত 2025-11-17, 10:19am

rewrewrqwerwqe-66cf0916b3fff9c9cef71e58dfb1ee591763353173.jpg




ইউক্রেন যুদ্ধ আর পশ্চিমাদের সঙ্গে রাশিয়ার বাড়তে থাকা উত্তেজনার মধ্যে নিজেদের সামরিক বাহিনী শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিয়েছে জার্মানি। ১৮ বছর বয়সি তরুণদের সামরিক প্রশিক্ষণ দিতে আইন প্রণয়ন করেছে দেশটির ক্ষমতাসীন জোট সরকার।

চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ মের্জের রাজনৈতিক দল ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্র্যাটিক ইউনিয়ন সিডিইউ ও শরিকদল সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টি এসপিডি এই আইন প্রণয়নের বিষয়টি গণমাধ্যমে তুলে ধরে।

নতুন আইনে বলা হয়েছে, জার্মানিতে ২০০৮ সালের পর থেকে জন্ম নেয়া সব পুরুষকে সামরিক বাহিনীতে যোগদানের বিষয়ে বাধ্যতামূলকভাবে সামরিক প্রশ্নপত্র পূরণ করতে হবে। ২০২৭ সাল থেকে তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে।

দেশটির নারীরা স্বেচ্ছায় একই ফর্ম জমা দিতে পারবেন। তবে প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক হলেও বাহিনীতে যোগদানের ইচ্ছা বা অনিচ্ছার সুযোগও থাকছে বলে জানায় মের্জ প্রশাসন।

জার্মান সরকারের উদ্যোগকে কেউ কেউ স্বাগত জানালেও স্থানীয়দের মাঝে আছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত জার্মান সেনা সদস্য আলিফ অরণ্য সময় সংবাদকে বলেন, তরুণদের সামরিক প্রশিক্ষণ দিতে সরকারের উদ্যোগটিকে আমি ইতিবাচক দেখছি। ইউরোপের রাজনৈতিক উত্তেজনা যেভাবে বাড়ছে তাতে জার্মানির প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তার জন্য জার্মান সামরিক বাহিনী আরও শক্তিশালী করতে হবে।

সাবেক এক জার্মান সেনাসদস্য বলেন, মের্জ প্রশাসনের এই পরিকল্পনা সাধুবাদের যোগ্য। আমি নিজেও জার্মান সেনাবাহিনীর একজন গর্বিত সদস্য ছিলাম। সামরিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জার্মান তরুণ তরুণীরা দেশের জন্য যেমন অবদান রাখবে তেমনি তাদের সুশৃঙ্খল হতে সাহায্য করবে।

স্থানীয় এক জার্মান সময় সংবাদকে বলেন, আমরা সরকারের এই পরিকল্পনাকে স্বাগত জানাই। এতে করে দেশের সেনাবাহিনী যেমন শক্তিশালী হবে তেমনি পর্যাপ্ত সেনা মজুত থাকবে।

স্থানীয় জার্মান নারী বলেন, দেখুন আইনটি মাত্র প্রণয়ন করা হয়েছে। এটা নিয়ে বিস্তারিত ভাবনার বিষয় আছে। তবে তরুণরা কি ভাবছে সরকার কি তা জানে? তাই আপাতত কোন কিছুই বলা ঠিক হবে না।

বর্তমানে জার্মান সেনাবাহিনীর সক্রিয় সদস্য সংখ্যা ১ লাখ ৮২ হাজার। লক্ষ্য আগামী এক দশকে এই সংখ্যা ২ লাখ ৬০ হাজার থেকে ৩ লাখে উন্নীত করা। সঙ্গে থাকছে আরও প্রায় ২ লাখ রিজার্ভ সদস্য। স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগে লক্ষ্য পূরণ না হলে সীমিত আকারে বাধ্যতামূলক নিয়োগের বিষয়টি বিবেচনার পরিকল্পনা আছে সেনাবাহিনীর।

এর আগে জার্মানিতে ২০১১ সালে বাধ্যতামূলক সেনাসেবা বাতিল করলেও ইউক্রেন যুদ্ধ এবং পশ্চিমাদের সামরিক জোট ন্যাটোর চাপ দেশটিকে আবারও সামরিক বিনিয়োগ বাড়াতে উৎসাহিত করছে।