News update
  • July Mass Uprising Day Today     |     
  • PM Inaugurates July Mass Uprising Memorial Museum     |     
  • Bangladesh Observes July Mass Uprising Day Today     |     
  • BGMEA, OCAIB move to attract Chinese investment in RMG sector     |     
  • BSTI finds dangerously high mercury levels in 8 skin creams     |     

ওমান সাগরে মার্কিন সামরিক জাহাজে হামলার দাবি ইরানের

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক সংঘাত 2026-06-04, 7:51am

870755a69fcdd809e05594971c18eb6e961fbbc99facd1ac-a31b1308ae880cc2d560acde88f149861780537892.jpg




ওমান সাগরে ইরানের আঞ্চলিক জলসীমার দিকে অগ্রসর হওয়া একটি মার্কিন সামরিক জাহাজকে লক্ষ্য করে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের নৌবাহিনী।

বুধবার (৩ জুন) রাতে ইরানের আধা-সরকারি তাসনিম নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওমান সাগরে লক্ষ্যবস্তু করা জাহাজটি একটি ‘কমান্ড ও কন্ট্রোল সেন্টার’ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল।

ইরানের সামরিক বাহিনী বলছে, ইরানের বাণিজ্যিক জাহাজে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা এবং হরমুজ প্রণালির নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগের পর এই ঘটনা ঘটে।

তবে ওমান সাগরে মার্কিন জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করার ইরানের দাবি অস্বীকার করেছে সেন্টকম। এক্সে দেয়া এক পোস্টে সেন্টকম বলেছে, ‘ইরান মিথ্যা বলছে।’

এদিকে কুয়েতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বুধবার (৩ জুন) ভোরে চালানো ইরানের ড্রোন হামলায় একজন নিহত হয়েছেন এবং আরও অর্ধশতাধিক আহত হয়েছেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভিযোগ, আবারও বেসামরিক লোকজন ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। এতে কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও কূটনৈতিক মিশনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

তবে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) বলেছে, কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের যাত্রী টার্মিনালের একটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঘটনায় তাদের বাহিনী দায়ী নয়।

রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে আইআরজিসির এক মুখপাত্র দাবি করেছেন, এটি যুক্তরাষ্ট্রের প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ত্রুটির কারণে ঘটেছে।

এদিকে কুয়েতে হামলার বিষয়ে ইরানের দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। তারা অভিযোগ করেছে, কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলাটি তেহরান পরিকল্পিতভাবে চালিয়েছে।

এক্সে (সাবেক টুইটার) দেয়া এক পোস্টে সেন্টকম বলেছে, ‘ইরান ড্রোন ব্যবহার করে বেসামরিক বিমানবন্দরে ইচ্ছাকৃত, পরিকল্পিত এবং অযৌক্তিক হামলা চালিয়েছে।

টেকসই যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে চলমান আলোচনা স্থবির হয়ে পড়ার পর মঙ্গলবার (২ জুন) ইরানে নতুন করে হামলা চালায় মার্কিন বাহিনী। এই হামলাকে তারা ‘আত্মরক্ষামূলক’ বলে দাবি করে।

এ হামলার বিষয়ে ইরানের আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানায়, মঙ্গলবার গভীর রাতে হরমুজ প্রণালির কাছে একটি ইরানি তেল ট্যাঙ্কার আকাশ থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

আইআরজিসি আরও জানায়, এরপর মার্কিন বাহিনী কেশম দ্বীপের দক্ষিণে গার্ড বাহিনীর একটি যোগাযোগ টাওয়ারে হামলা চালায়। এসব হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে ভূখণ্ড ব্যবহারের সুযোগ করে দেয়ার অভিযোগে কুয়েত ও বাহরাইনকে অভিযুক্ত করে ইরান এবং এই হামলার জন্য ওয়াশিংটনের নিন্দা জানায়।

এরপরই হামলার জবাবে কুয়েত ও বাহরাইনে পাল্টা হামলা চালায় ইরান। আইআরজিসির পক্ষ থেকে বলা হয়, প্রতিশোধ হিসেবে একটি ‘আঞ্চলিক দেশে’ অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি ও হেলিকপ্টারে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে হামলা চালিয়েছে তারা।

পাশাপাশি সতর্ক করে বলা হয়, ইরানের বিরুদ্ধে যেকোনো পরবর্তী হামলার একটি ‘চূড়ান্ত’ জবাব দেয়া হবে এবং ইরানের বিরুদ্ধে কর্মকাণ্ডে জড়িত শক্তিগুলোকে এর পরিণতি ভোগ করতে হবে।