News update
  • Dhaka ranks world's third most polluted city this morning     |     
  • Soldiers Guard Milan as Thousands Protest Across Europe     |     
  • Cheese Industry Thrives In Thakurgaon Villages      |     
  • Guterres alarmed at Israel’s sweeping closures after deadly Hebron attack     |     
  • Bangladesh to Introduce New Law to Curb Extortion, IGP Says     |     

যুদ্ধবিরতির মধ্যেও কুয়েতে হামলা করল কারা?

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক সংঘাত 2026-04-10, 2:31pm

rterwerwerrtetw-2babf19193740c3fdf4cf9ec412fc4b41775809871.jpg

কুয়েত সিটিতে ড্রোন হামলার পর ধোঁয়ার কুণ্ডলী। সংগৃহীত ফাইল ছবি



যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির মধ্যে বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) কুয়েতে ড্রোন হামলা হয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রাতের ওই হামলায় কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এক বিবৃতিতে কুয়েতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হামলার জন্য ইরান ও দেশটির মদদপুষ্ট সশস্ত্র গোষ্ঠীকে অভিযুক্ত করেছে।

কুয়েতের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থায় প্রকাশিত বিবৃতিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে শনিবার (১১ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পরিকল্পিত বৈঠকের আগে এ হামলা নতুন করে চাপ সৃষ্টি হয়েছে।

রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কুয়েত নিউজ এজেন্সি জানায়, ড্রোন হামলায় দেশটির ন্যাশনাল গার্ডের একটি স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। ন্যাশনাল গার্ড কুয়েত সশস্ত্র বাহিনীর একটি আধা-সামরিক শাখা। 

তবে কুয়েতে হামলার খবর অস্বীকার করেছে ইরান। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) বৃহস্পতিবার পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোতে হামলা চালানোর খবর অস্বীকার করেছে।

 আইআরজিসি বলেছে, ‘গণমাধ্যমে প্রকাশিত এই প্রতিবেদন যদি সত্যি হয়, তবে নিঃসন্দেহে এটি জায়নবাদী শত্রু (ইসরাইল) বা আমেরিকার কাজ।’

এদিকে সৌদি আরব জানিয়েছে, সাম্প্রতিক হামলায় দেশটির একটি গুরুত্বপূর্ণ পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংঘাতে তাদের গুরুত্বপূর্ণ পূর্ব-পশ্চিম তেলের পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বর্তমানে দেশটির অপরিশোধিত তেল রফতানির একমাত্র মাধ্যম এই পাইপলাইন। 

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার পর ইরান হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেয়ায় বিশাল পরিমাণ তেল ও গ্যাস আটকা পড়ে এবং বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বেড়ে যায়। এ পরিস্থিতিতে ওই পাইপলাইন ব্যবহার করে সৌদি আরব তাদের পূর্বাঞ্চলীয় তেলসমৃদ্ধ এলাকা থেকে প্রতিদিন প্রায় ৭০ লাখ ব্যারেল তেল লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দরে সরিয়ে নিচ্ছিল। তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইসরাইল