News update
  • Tobacco use can undermine fertility, UN health agency warns     |     
  • Dengue Deaths Hit Record High as 9 Die in 24 Hours     |     
  • 'Kalo Datina' Caught in Bay of Bengal, Sold for 40,000 Taka     |     
  • Bangladesh Assumes UNGA Presidency in Historic Milestone     |     
  • President Urges Dialogue to Resolve Bangladesh-India Issues     |     

‘এক শিক্ষক, এক ট্যাব’ কর্মসূচি সক্রিয়ভাবে বিবেচনাধীন : শিক্ষামন্ত্রী

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক শিক্ষকতা 2026-09-08, 9:01pm

image-315088-1781443389-ff1a6f5b39652ff6daea78a1c3aec28b1788879673.jpg




শিক্ষকদের ডিজিটাল ডিভাইস প্রদান এবং আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর পাঠদানে তাদের সক্ষমতা বাড়াতে ‘এক শিক্ষক, এক ট্যাব’ উদ্যোগটি সরকার সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, “শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের পাশাপাশি ডিজিটাল ডিভাইস দেওয়ার মাধ্যমে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর পাঠদান নিশ্চিত করতে ‘এক শিক্ষক, এক ট্যাব’ ধারণাটি সরকার সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছে।”

আজ মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে চট্টগ্রাম-১২ আসনের সরকারি দলের সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হকের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কর্মসূচিটির এখনো চূড়ান্ত অনুমোদন ও অর্থায়ন হয়নি। ফলে ট্যাব বিতরণ শুরুর কোনো নির্দিষ্ট তারিখও সরকার নির্ধারণ করেনি।

ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, মাধ্যমিক ও সমপর্যায়ের শিক্ষায় প্রস্তাবিত এ উদ্যোগটি মাধ্যমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় ‘শিক্ষকদের প্রযুক্তিগত সহায়তা কর্মসূচি’, প্রস্তাবিত ‘মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রযুক্তিগত সহায়তা ও স্মার্ট লার্নিং পরিবেশ’ প্রকল্প এবং অনুমোদনের অপেক্ষায় থাকা ‘নেক্সটজেন মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মসূচিসহ’ প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধিসংক্রান্ত বিভিন্ন প্রকল্প ও কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষকদের ট্যাব দেওয়ার বিষয়টি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ারভুক্ত। প্রস্তাবিত পঞ্চম প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৫) অনুমোদন ও প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত হলে প্রাথমিক পর্যায়ে ট্যাব ক্রয় ও বিতরণ শুরু হতে পারে।

ডিজিটাল ডিভাইসের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে সরকার ইতোমধ্যে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের জন্য উল্লেখযোগ্য ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘লাইস’ প্রকল্পের আওতায় ৫৯ হাজার ১৭০ জন শিক্ষককে ব্লেন্ডেড লার্নিং প্রশিক্ষণ এবং ২৯ হাজার ৫৮৫ জন শিক্ষককে আইসিটি প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘আইসিটির মাধ্যমে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠা’ প্রকল্পের আওতায় ৫ লাখ ২১ হাজার ১১২ জন শিক্ষককে আইসিটি প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী জানান, প্রস্তাবিত নেক্সটজেন কর্মসূচির আওতায় ৩ লাখ ৬৯ হাজার ৬৪৩ জন শিক্ষক ও শিক্ষা প্রশাসককে দেশে পেশাগত উন্নয়ন প্রশিক্ষণ এবং ১৩১ জনকে বিদেশে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

‘এক শিক্ষক, এক ট্যাব’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের আগে কয়েকটি প্রস্তুতিমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হবে জানিয়ে এহছানুল হক মিলন বলেন, শিক্ষকের সংখ্যা ও তাদের প্রয়োজন নিরূপণ, ডিভাইসের কারিগরি বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ, প্রয়োজনীয় ডিজিটাল কনটেন্ট প্রস্তুত, ইন্টারনেট সংযোগ, ব্যবহারকারী প্রশিক্ষণ, মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ সুবিধা ও ডিভাইসের নিরাপদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা হবে।

এ সময় শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট প্রকল্প বা কর্মসূচির অনুমোদন, প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ এবং সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর প্রাথমিকভাবে পাইলট ভিত্তিতে ‘এক শিক্ষক, এক ট্যাব’ কর্মসূচি চালু করা হবে। পরে পর্যায়ক্রমে এটি সম্প্রসারণ করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, এসব পূর্বশর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি বাস্তবায়নের নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করা সম্ভব নয়।